নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
রোববার (২১ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ ঘোষণা করবেন। আজকের আদেশের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হবে কি না।
এই মামলায় মোট আসামি ১৭ জন। এর মধ্যে ১০ জন সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন:
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল: মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান এবং মো. মাহাবুব আলম।
কর্নেল: কেএম আজাদ, আবদুল্লাহ আল মোমেন, আনোয়ার লতিফ খান (পিআরএল) এবং মো. মশিউর রহমান।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল: সাইফুল ইসলাম সুমন এবং মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
পলাতক আসামিরা হলেন: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ এবং সাবেক পরিচালক লে. কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।
গত ১৪ ডিসেম্বর মামলার উভয় পক্ষের শুনানি শেষ হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের নির্দোষ দাবি করে অব্যাহতি (Discharge) চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম আসামিদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ থাকার দাবি তুলে বিচার শুরুর সপক্ষে যুক্তি দেন।
এর আগে ৩ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম অভিযোগ গঠনের পক্ষে চূড়ান্ত শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি টিএফআই সেলের বীভৎস নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের ভাগ্য ছিল অনিশ্চিত; কাউকে বছরের পর বছর আটকে রেখে নির্জন স্থানে ফেলে আসা হতো, আবার কাউকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হতো।
৮ অক্টোবর ২০২৫: প্রসিকিউশন কর্তৃক আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (Formal Charge) দাখিল।
২২ অক্টোবর ২০২৫: গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তাকে প্রথমবার ট্রাইব্যুনালে হাজির ও কারাগারে প্রেরণ।
পলাতক আসামি: নির্ধারিত সময়ে হাজির না হওয়ায় পলাতক আসামিদের জন্য আদালত 'স্টেট ডিফেন্স' বা রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ দেন।
আজকের আদেশের দিকেই এখন সবার নজর, যা এই চাঞ্চল্যকর গুম ও নির্যাতন মামলার পরবর্তী আইনি গতিপথ নির্ধারণ করবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
রোববার (২১ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ ঘোষণা করবেন। আজকের আদেশের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হবে কি না।
এই মামলায় মোট আসামি ১৭ জন। এর মধ্যে ১০ জন সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন:
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল: মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান এবং মো. মাহাবুব আলম।
কর্নেল: কেএম আজাদ, আবদুল্লাহ আল মোমেন, আনোয়ার লতিফ খান (পিআরএল) এবং মো. মশিউর রহমান।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল: সাইফুল ইসলাম সুমন এবং মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
পলাতক আসামিরা হলেন: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ এবং সাবেক পরিচালক লে. কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।
গত ১৪ ডিসেম্বর মামলার উভয় পক্ষের শুনানি শেষ হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের নির্দোষ দাবি করে অব্যাহতি (Discharge) চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম আসামিদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ থাকার দাবি তুলে বিচার শুরুর সপক্ষে যুক্তি দেন।
এর আগে ৩ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম অভিযোগ গঠনের পক্ষে চূড়ান্ত শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি টিএফআই সেলের বীভৎস নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের ভাগ্য ছিল অনিশ্চিত; কাউকে বছরের পর বছর আটকে রেখে নির্জন স্থানে ফেলে আসা হতো, আবার কাউকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হতো।
৮ অক্টোবর ২০২৫: প্রসিকিউশন কর্তৃক আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (Formal Charge) দাখিল।
২২ অক্টোবর ২০২৫: গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তাকে প্রথমবার ট্রাইব্যুনালে হাজির ও কারাগারে প্রেরণ।
পলাতক আসামি: নির্ধারিত সময়ে হাজির না হওয়ায় পলাতক আসামিদের জন্য আদালত 'স্টেট ডিফেন্স' বা রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ দেন।
আজকের আদেশের দিকেই এখন সবার নজর, যা এই চাঞ্চল্যকর গুম ও নির্যাতন মামলার পরবর্তী আইনি গতিপথ নির্ধারণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন