২১ ডিসেম্বর ২০২৫
অভিযোগের প্রেক্ষাপট: নিহতের সৎ ভাই নজরুল ইসলাম ননী জানান, মোশাররফ কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হলেও শারীরিকভাবে শক্তিশালী ও মেধাবী ছিলেন। তিনি বড় বোনের কাছে থাকতেন। তবে তার মেজ ভাই বিল্লাল হোসেন মহব্বত (৬৫) ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৮) উন্নত চিকিৎসার কথা বলে কৌশলে মোশাররফকে তাদের জিম্মায় নেন। অভিযোগ রয়েছে, মহব্বতের দুই ছেলে মিলন (৩৫) ও সম্রাট (৩২) ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি লিখে দিতে মোশাররফের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন।
নিখোঁজ ও গোপনে দাফন: পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর মোশাররফের খোঁজ নিতে গেলে অভিযুক্ত মহব্বত ও তার ছেলেরা স্বজনদের হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় ২৮ সেপ্টেম্বর শ্রীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নজরুল ইসলাম ননী। এর মধ্যেই গত ১১ ডিসেম্বর মোশাররফের মৃত্যুর সংবাদ পান এলাকাবাসী। অভিযোগ রয়েছে, আপনজনদের কাউকে না জানিয়ে অত্যন্ত গোপনে নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা ইউনিয়নের বেনুখালী কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
সম্পত্তি লিখে নেওয়ার প্রমাণ: অভিযুক্ত মহব্বতের ছেলে মিলন স্বীকার করেছেন যে, মৃত্যুর কয়েকদিন আগে মোশাররফকে শ্রীনগর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। স্থানীয়দের দাবি, ভারসাম্যহীন মোশাররফকে দিয়ে জোরপূর্বক তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অংশ লিখে নেওয়া হয়েছে, যা আইনত দণ্ডনীয়।
অভিযুক্ত ও ইউপি সদস্যের বক্তব্য: অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন মহব্বত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, নজরুল ইসলাম ননী তাদের পরিবারের কেউ নন। তিনি মোশাররফের মৃত্যুকে স্বাভাবিক অসুস্থতাজনিত মৃত্যু বলে দাবি করেন। তবে স্থানীয় ইউপি সদস্য রাজিব শেখ জানান, তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক ওয়ারিশিয়ান সনদ প্রদান করা হয়েছে এবং ওই পরিবারে দীর্ঘদিনের সম্পদ নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
রহস্যজনক দাফন ও শারীরিক চিহ্ন: মরদেহ গোসল করানো মোবারক হোসেন জানান, মরদেহে বড় কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও ডান পায়ের একটি আঙুল কাটা ছিল এবং সেখানে ব্যান্ডেজ প্যাঁচানো ছিল। নিজ গ্রামের কবরস্থান রেখে অন্য উপজেলায় কেন দাফন করা হলো—সেই প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি অভিযুক্ত মহব্বত।
এ বিষয়ে শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ভুক্তভোগী পরিবার এই ‘রহস্যজনক’ মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও ময়নাতদন্তের দাবি জানিয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
২১ ডিসেম্বর ২০২৫
অভিযোগের প্রেক্ষাপট: নিহতের সৎ ভাই নজরুল ইসলাম ননী জানান, মোশাররফ কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন হলেও শারীরিকভাবে শক্তিশালী ও মেধাবী ছিলেন। তিনি বড় বোনের কাছে থাকতেন। তবে তার মেজ ভাই বিল্লাল হোসেন মহব্বত (৬৫) ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৮) উন্নত চিকিৎসার কথা বলে কৌশলে মোশাররফকে তাদের জিম্মায় নেন। অভিযোগ রয়েছে, মহব্বতের দুই ছেলে মিলন (৩৫) ও সম্রাট (৩২) ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি লিখে দিতে মোশাররফের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন।
নিখোঁজ ও গোপনে দাফন: পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর মোশাররফের খোঁজ নিতে গেলে অভিযুক্ত মহব্বত ও তার ছেলেরা স্বজনদের হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় ২৮ সেপ্টেম্বর শ্রীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নজরুল ইসলাম ননী। এর মধ্যেই গত ১১ ডিসেম্বর মোশাররফের মৃত্যুর সংবাদ পান এলাকাবাসী। অভিযোগ রয়েছে, আপনজনদের কাউকে না জানিয়ে অত্যন্ত গোপনে নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা ইউনিয়নের বেনুখালী কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
সম্পত্তি লিখে নেওয়ার প্রমাণ: অভিযুক্ত মহব্বতের ছেলে মিলন স্বীকার করেছেন যে, মৃত্যুর কয়েকদিন আগে মোশাররফকে শ্রীনগর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। স্থানীয়দের দাবি, ভারসাম্যহীন মোশাররফকে দিয়ে জোরপূর্বক তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অংশ লিখে নেওয়া হয়েছে, যা আইনত দণ্ডনীয়।
অভিযুক্ত ও ইউপি সদস্যের বক্তব্য: অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন মহব্বত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, নজরুল ইসলাম ননী তাদের পরিবারের কেউ নন। তিনি মোশাররফের মৃত্যুকে স্বাভাবিক অসুস্থতাজনিত মৃত্যু বলে দাবি করেন। তবে স্থানীয় ইউপি সদস্য রাজিব শেখ জানান, তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক ওয়ারিশিয়ান সনদ প্রদান করা হয়েছে এবং ওই পরিবারে দীর্ঘদিনের সম্পদ নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
রহস্যজনক দাফন ও শারীরিক চিহ্ন: মরদেহ গোসল করানো মোবারক হোসেন জানান, মরদেহে বড় কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও ডান পায়ের একটি আঙুল কাটা ছিল এবং সেখানে ব্যান্ডেজ প্যাঁচানো ছিল। নিজ গ্রামের কবরস্থান রেখে অন্য উপজেলায় কেন দাফন করা হলো—সেই প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি অভিযুক্ত মহব্বত।
এ বিষয়ে শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ভুক্তভোগী পরিবার এই ‘রহস্যজনক’ মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও ময়নাতদন্তের দাবি জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন