খুলনা প্রতিনিধি | নজরবিডি
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্বৃত্তরা মোতালেব শিকদারের মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) অনিমেষ মণ্ডল জানান, “মোতালেব নামে এক ব্যক্তিকে দুর্বৃত্তরা গুলি করলে উপস্থিত জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।”
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার মাথার সিটি স্ক্যানের জন্য শেখপাড়া সিটি ইমেজিং সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। হামলার কারণ এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের খুলনা জেলা শাখার সদস্য সচিব সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন,
“প্রশাসনের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা আমাদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। খুলনা এখন কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের নগরে পরিণত হয়েছে। পুলিশ যাদের আটক করছে, তারা সহজেই জামিনে মুক্ত হয়ে আবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “এই সব সন্ত্রাসী গ্রুপ শেখবাড়ি ও আওয়ামী নেতাদের আশীর্বাদপুষ্ট। নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাদের মদদেই খুলনাকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। খুলনার সাধারণ মানুষ জান ও মালের নিরাপত্তা চায়।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাইযোদ্ধারা বেঁচে থাকার স্বাধীনতা চাই।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
খুলনা প্রতিনিধি | নজরবিডি
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্বৃত্তরা মোতালেব শিকদারের মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) অনিমেষ মণ্ডল জানান, “মোতালেব নামে এক ব্যক্তিকে দুর্বৃত্তরা গুলি করলে উপস্থিত জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।”
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার মাথার সিটি স্ক্যানের জন্য শেখপাড়া সিটি ইমেজিং সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। হামলার কারণ এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের খুলনা জেলা শাখার সদস্য সচিব সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন,
“প্রশাসনের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা আমাদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। খুলনা এখন কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের নগরে পরিণত হয়েছে। পুলিশ যাদের আটক করছে, তারা সহজেই জামিনে মুক্ত হয়ে আবার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “এই সব সন্ত্রাসী গ্রুপ শেখবাড়ি ও আওয়ামী নেতাদের আশীর্বাদপুষ্ট। নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাদের মদদেই খুলনাকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। খুলনার সাধারণ মানুষ জান ও মালের নিরাপত্তা চায়।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাইযোদ্ধারা বেঁচে থাকার স্বাধীনতা চাই।”

আপনার মতামত লিখুন