রাজবাড়ীতে চাঁদাবাজির সময় গণপিটুনিতে সম্রাট বাহিনীর প্রধান নিহত
বাংলাদেশ
রাজবাড়ীস্টাফ রিপোর্টার: নাহিদ হোসেনরাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নে চাঁদাবাজির অভিযোগে গণপিটুনিতে ‘সম্রাট বাহিনী’র প্রধান অমৃত মন্ডল ওরফে সম্রাট (৩৫) নিহতের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিহতের ভাই অমিয় মন্ডল বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি করেন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে অমৃত মন্ডল ওরফে সম্রাট চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে হোসেনডাঙ্গা গ্রামের শহিদ শেখের বাড়িতে যান। সেখানে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় গৃহকর্তা চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে সম্রাট ও তার সহযোগীদের গণপিটুনি দেয়।
পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী সেলিমকে উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সম্রাটকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় সেলিমের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও একটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু সংবাদমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর বা সাম্প্রদায়িক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করা হলে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সরকারি বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক তদন্ত ও পুলিশের তথ্যমতে—ঘটনাটি কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িক নয়। এটি নিছক চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত সহিংসতার ফল।
নিহত সম্রাটের নামে ২০২৩ সালের একটি হত্যা মামলাসহ একাধিক অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। তবে সরকার আইনবহির্ভূতভাবে গণপিটুনি বা যেকোনো ধরনের সহিংসতার কঠোর নিন্দা জানিয়েছে।
পাংশা মডেল থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং মূল রহস্য উদঘাটনে পুলিশ গুরুত্বসহকারে তদন্ত চালাচ্ছে।
রাজবাড়ীতে চাঁদাবাজির সময় গণপিটুনিতে সম্রাট বাহিনীর প্রধান নিহত
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ
রাজবাড়ীস্টাফ রিপোর্টার: নাহিদ হোসেনরাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নে চাঁদাবাজির অভিযোগে গণপিটুনিতে ‘সম্রাট বাহিনী’র প্রধান অমৃত মন্ডল ওরফে সম্রাট (৩৫) নিহতের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিহতের ভাই অমিয় মন্ডল বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি করেন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে অমৃত মন্ডল ওরফে সম্রাট চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে হোসেনডাঙ্গা গ্রামের শহিদ শেখের বাড়িতে যান। সেখানে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় গৃহকর্তা চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে সম্রাট ও তার সহযোগীদের গণপিটুনি দেয়।
পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী সেলিমকে উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সম্রাটকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় সেলিমের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও একটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু সংবাদমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর বা সাম্প্রদায়িক রঙ দেওয়ার চেষ্টা করা হলে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সরকারি বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক তদন্ত ও পুলিশের তথ্যমতে—ঘটনাটি কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িক নয়। এটি নিছক চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত সহিংসতার ফল।
নিহত সম্রাটের নামে ২০২৩ সালের একটি হত্যা মামলাসহ একাধিক অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। তবে সরকার আইনবহির্ভূতভাবে গণপিটুনি বা যেকোনো ধরনের সহিংসতার কঠোর নিন্দা জানিয়েছে।
পাংশা মডেল থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং মূল রহস্য উদঘাটনে পুলিশ গুরুত্বসহকারে তদন্ত চালাচ্ছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন