এতে একদিকে যেমন কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি এলাকার রাস্তাঘাট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গভীর রাতে ভারী ট্রাক চলাচল ও হর্নের বিকট শব্দে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ এলাকাবাসীর ঘুমের মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রীরামপুর এলাকার মরহুম সুরুজ্জামান সূরুজের ছেলে আকরাম, রঘুনাথপুর এলাকার বাদলের ছেলে ফনি ফকির এবং মরহুম খেলা খন্দকারের ছেলে আনোয়ার হোসেন আঞ্জুসহ একটি চক্র এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে ফসলি জমির উপরিভাগ কেটে গভীর গর্ত সৃষ্টি করেছে। এসব মাটি উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় সরবরাহ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না। ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির পাশাপাশি খাস জমি ও বসতবাড়ির সীমানা ঘেঁষেও মাটি কাটা হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে ট্রাকচালকেরা প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। অনেক ট্রাকেই নেই রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেট। কৃষিবিদদের মতে, জমির উপরিভাগের মাত্র ৪–৬ ইঞ্চি মাটিতেই ফসল উৎপাদনের মূল পুষ্টিগুণ থাকে। এই টপ সয়েল কেটে নেওয়ায় জমি দীর্ঘ সময়ের জন্য অনুর্বর হয়ে পড়ে এবং স্বাভাবিক ফলন পেতে দ্বিগুণ সার প্রয়োগ করতে হয়। জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক বলেন, “টপ সয়েল কেটে নিলে বোরো ও আমন চাষে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এভাবে মাটি কাটা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে কৃষিজমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে যাবে।” অভিযুক্ত আকরাম দাবি করেন, “আমি আমার নিজের জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছি। দিনে কাটলে সমস্যা হয়, তাই রাতে কাটি।” এ বিষয়ে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজনীন আখতার বলেন, “বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
এতে একদিকে যেমন কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি এলাকার রাস্তাঘাট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গভীর রাতে ভারী ট্রাক চলাচল ও হর্নের বিকট শব্দে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ এলাকাবাসীর ঘুমের মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রীরামপুর এলাকার মরহুম সুরুজ্জামান সূরুজের ছেলে আকরাম, রঘুনাথপুর এলাকার বাদলের ছেলে ফনি ফকির এবং মরহুম খেলা খন্দকারের ছেলে আনোয়ার হোসেন আঞ্জুসহ একটি চক্র এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে ফসলি জমির উপরিভাগ কেটে গভীর গর্ত সৃষ্টি করেছে। এসব মাটি উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় সরবরাহ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না। ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির পাশাপাশি খাস জমি ও বসতবাড়ির সীমানা ঘেঁষেও মাটি কাটা হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে ট্রাকচালকেরা প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। অনেক ট্রাকেই নেই রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্লেট। কৃষিবিদদের মতে, জমির উপরিভাগের মাত্র ৪–৬ ইঞ্চি মাটিতেই ফসল উৎপাদনের মূল পুষ্টিগুণ থাকে। এই টপ সয়েল কেটে নেওয়ায় জমি দীর্ঘ সময়ের জন্য অনুর্বর হয়ে পড়ে এবং স্বাভাবিক ফলন পেতে দ্বিগুণ সার প্রয়োগ করতে হয়। জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক বলেন, “টপ সয়েল কেটে নিলে বোরো ও আমন চাষে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এভাবে মাটি কাটা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে কৃষিজমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে যাবে।” অভিযুক্ত আকরাম দাবি করেন, “আমি আমার নিজের জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছি। দিনে কাটলে সমস্যা হয়, তাই রাতে কাটি।” এ বিষয়ে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজনীন আখতার বলেন, “বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন