নজর বিডি

পচা গরুর মাংস বিক্রির দায়ে মুকসুদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৫ দিনের জেল

পচা গরুর মাংস বিক্রির দায়ে মুকসুদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৫ দিনের জেল

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার আদমপুর গ্রামে পচা ও অস্বাস্থ্যকর গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।


স্টাফ রিপোর্টার- সাদিয়া নূর পূর্ণ    দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ইমরান কাজী (৩২)। তিনি আদমপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং রাজ্জাক কাজীর ছেলে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ও প্রশাসনের যৌথ অভিযানে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। অভিযানের সময় তার দোকান থেকে দুর্গন্ধযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর  গরুর মাংস উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভোক্তা অধিকার ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের ২০০৯ এর ৪৫ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। উদ্ধারকৃত পচা মাংস তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করে জনসমক্ষে ধ্বংস করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এমন অপরাধের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। খাদ্যে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যদ্রব্য বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। দণ্ড ঘোষণার পর ইমরান কাজীকে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি প্রকাশ পেয়েছে এবং প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


পচা গরুর মাংস বিক্রির দায়ে মুকসুদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৫ দিনের জেল

প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার আদমপুর গ্রামে পচা ও অস্বাস্থ্যকর গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।


স্টাফ রিপোর্টার- সাদিয়া নূর পূর্ণ    দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ইমরান কাজী (৩২)। তিনি আদমপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং রাজ্জাক কাজীর ছেলে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ও প্রশাসনের যৌথ অভিযানে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। অভিযানের সময় তার দোকান থেকে দুর্গন্ধযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর  গরুর মাংস উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভোক্তা অধিকার ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের ২০০৯ এর ৪৫ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। উদ্ধারকৃত পচা মাংস তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করে জনসমক্ষে ধ্বংস করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এমন অপরাধের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। খাদ্যে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যদ্রব্য বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। দণ্ড ঘোষণার পর ইমরান কাজীকে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি প্রকাশ পেয়েছে এবং প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত