নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি ২০২৬
অভিযুক্ত যুবক মো. মহিউদ্দিনকে (২৭) আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে আনোয়ারার বরুমছড়া ইউনিয়নের ভরারচর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল হাকিম চৌকিদার বাড়িতে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত মহিউদ্দিন প্রথমে নিজের বসতঘরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এরপর তার চাচার ঘরেও আগুন লাগিয়ে দেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পাশের আরও দুটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন শামসুর ইসলাম, মো. নুরুল ইসলাম, মো. আব্দুল আলিম ও মো. রহিম।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে আসবাবপত্র ও নগদ অর্থসহ তাদের প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খবর পেয়ে আনোয়ারা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার স্টেশনের সাব-অফিসার মো. আব্দুল্লাহ জানান:
"আমাদের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলোর মধ্যে একটি সেমিপাকা ও তিনটি মাটির ঘর। আমরা প্রাথমিকভাবে ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির অনুমান করছি এবং প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।"
অভিযুক্তের চাচাতো ভাই মো. জয়নাল আবেদিন অভিযোগ করেন, মহিউদ্দিন দোকান থেকে কেরোসিন কিনে এনে পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এই আগুনে তাদের একারই প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন,
"প্রাথমিকভাবে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি ২০২৬
অভিযুক্ত যুবক মো. মহিউদ্দিনকে (২৭) আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে আনোয়ারার বরুমছড়া ইউনিয়নের ভরারচর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল হাকিম চৌকিদার বাড়িতে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত মহিউদ্দিন প্রথমে নিজের বসতঘরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এরপর তার চাচার ঘরেও আগুন লাগিয়ে দেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পাশের আরও দুটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন শামসুর ইসলাম, মো. নুরুল ইসলাম, মো. আব্দুল আলিম ও মো. রহিম।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে আসবাবপত্র ও নগদ অর্থসহ তাদের প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খবর পেয়ে আনোয়ারা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার স্টেশনের সাব-অফিসার মো. আব্দুল্লাহ জানান:
"আমাদের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলোর মধ্যে একটি সেমিপাকা ও তিনটি মাটির ঘর। আমরা প্রাথমিকভাবে ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির অনুমান করছি এবং প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।"
অভিযুক্তের চাচাতো ভাই মো. জয়নাল আবেদিন অভিযোগ করেন, মহিউদ্দিন দোকান থেকে কেরোসিন কিনে এনে পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এই আগুনে তাদের একারই প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন,
"প্রাথমিকভাবে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন