নজরবিডি। সিলেট
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় শায়েস্তাগঞ্জ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন থানার ওসি আবুল কালাম।
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ইয়াছমিন খাতুন জানান, “মাহদী হাসান বর্তমানে হবিগঞ্জ পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। কোন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে।”
পুলিশ সূত্র জানায়, শুক্রবার পুলিশের হাতে আটক এক যুবককে ছাড়িয়ে আনতে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় যান মাহদী হাসান। এ সময় থানার ভেতরে ওসির সঙ্গে তার তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মাহদী হাসান নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয় দিয়ে ওসিকে হুমকিসূচক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “আমরা আন্দোলন করে গভর্নমেন্ট রিফর্ম করেছি। প্রশাসন আমাদের লোক। আপনি আমাদের ছেলেকে গ্রেপ্তার করে এনেছেন—এই সাহস কীভাবে পান?”
ভিডিওতে আরও শোনা যায়, তিনি দাবি করেন, “আমাদের এখানে ১৭ জন শহীদ হয়েছে। আমরা বানিয়াচং থানাকে পুড়িয়ে দিয়েছিলাম। এসআই সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।”—এ ধরনের বক্তব্য ঘিরেই ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে মাহদী হাসানকে শোকজ করা হয়েছে বলে জানা যায়। ভাইরাল ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।
এ ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলাজুড়ে তীব্র আলোচনা চলছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি। সিলেট
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় শায়েস্তাগঞ্জ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন থানার ওসি আবুল কালাম।
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ইয়াছমিন খাতুন জানান, “মাহদী হাসান বর্তমানে হবিগঞ্জ পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। কোন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে।”
পুলিশ সূত্র জানায়, শুক্রবার পুলিশের হাতে আটক এক যুবককে ছাড়িয়ে আনতে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় যান মাহদী হাসান। এ সময় থানার ভেতরে ওসির সঙ্গে তার তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মাহদী হাসান নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয় দিয়ে ওসিকে হুমকিসূচক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “আমরা আন্দোলন করে গভর্নমেন্ট রিফর্ম করেছি। প্রশাসন আমাদের লোক। আপনি আমাদের ছেলেকে গ্রেপ্তার করে এনেছেন—এই সাহস কীভাবে পান?”
ভিডিওতে আরও শোনা যায়, তিনি দাবি করেন, “আমাদের এখানে ১৭ জন শহীদ হয়েছে। আমরা বানিয়াচং থানাকে পুড়িয়ে দিয়েছিলাম। এসআই সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।”—এ ধরনের বক্তব্য ঘিরেই ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে মাহদী হাসানকে শোকজ করা হয়েছে বলে জানা যায়। ভাইরাল ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।
এ ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলাজুড়ে তীব্র আলোচনা চলছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন