নজরবিডি, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
এ ঘটনায় অভিযুক্ত জামাই আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী এলাকায়। বর্তমানে অভিযুক্ত আবু তাহের জেল হাজতে রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আবু তাহের দীর্ঘদিন ধরে ভিসা সংক্রান্ত প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে গত শনিবার তিনি তার স্ত্রীকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় নিজের মেয়েকে বাঁচাতে শ্বশুর এনতাজুল ইসলাম বাধা দিলে আবু তাহের ক্ষিপ্ত হয়ে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে তার ওপর তুলে দেন।
গাড়িচাপায় গুরুতর আহত অবস্থায় এনতাজুল ইসলামকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নৃশংস এই ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আবু তাহেরকে আটক করে। পরে তাকে এই হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, “এটি একটি নির্মম হত্যাকাণ্ড। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি উঠে এসেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এমন নৃশংস ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া ও তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘাতক জামাইয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, পারিবারিক বিরোধের জেরে একজন বৃদ্ধ মানুষকে এভাবে প্রকাশ্যে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
বর্তমানে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে এবং পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
এ ঘটনায় অভিযুক্ত জামাই আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী এলাকায়। বর্তমানে অভিযুক্ত আবু তাহের জেল হাজতে রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আবু তাহের দীর্ঘদিন ধরে ভিসা সংক্রান্ত প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে গত শনিবার তিনি তার স্ত্রীকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় নিজের মেয়েকে বাঁচাতে শ্বশুর এনতাজুল ইসলাম বাধা দিলে আবু তাহের ক্ষিপ্ত হয়ে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে তার ওপর তুলে দেন।
গাড়িচাপায় গুরুতর আহত অবস্থায় এনতাজুল ইসলামকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নৃশংস এই ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আবু তাহেরকে আটক করে। পরে তাকে এই হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, “এটি একটি নির্মম হত্যাকাণ্ড। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি উঠে এসেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এমন নৃশংস ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া ও তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘাতক জামাইয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, পারিবারিক বিরোধের জেরে একজন বৃদ্ধ মানুষকে এভাবে প্রকাশ্যে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
বর্তমানে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে এবং পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন