নজরবিডি, ৪ জানুয়ারি ২০২৬
নিহত আয়েশা মনি স্থানীয় দিনমজুর বাবুল প্যাদা ও সৌদি আরবপ্রবাসী আছমত আরা দম্পতির ছোট মেয়ে। সে রাঙ্গাবালী ছালেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেল থেকে আয়েশা মনি নিখোঁজ ছিল। স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। নিখোঁজের পর পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালালেও তখন মরদেহের কোনো হদিস মেলেনি। অবশেষে রোববার সকালে বাড়ির রান্নাঘরের ভেতর একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে বস্তা খুলে আয়েশার মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
নিহতের বাবা বাবুল প্যাদা কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, "মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা সবখানে খুঁজেছি। পুলিশও ঘরে খুঁজে কিছু পায়নি। আজ হঠাৎ রান্নাঘরে বস্তাবন্দি অবস্থায় ওর লাশ পাওয়া গেল।"
রাঙ্গাবালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে রাখা হয়েছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা ও মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৪ জানুয়ারি ২০২৬
নিহত আয়েশা মনি স্থানীয় দিনমজুর বাবুল প্যাদা ও সৌদি আরবপ্রবাসী আছমত আরা দম্পতির ছোট মেয়ে। সে রাঙ্গাবালী ছালেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেল থেকে আয়েশা মনি নিখোঁজ ছিল। স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। নিখোঁজের পর পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালালেও তখন মরদেহের কোনো হদিস মেলেনি। অবশেষে রোববার সকালে বাড়ির রান্নাঘরের ভেতর একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে বস্তা খুলে আয়েশার মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
নিহতের বাবা বাবুল প্যাদা কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, "মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা সবখানে খুঁজেছি। পুলিশও ঘরে খুঁজে কিছু পায়নি। আজ হঠাৎ রান্নাঘরে বস্তাবন্দি অবস্থায় ওর লাশ পাওয়া গেল।"
রাঙ্গাবালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে রাখা হয়েছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা ও মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন