নজরবিডি ৬ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভোরে রাজধানীর পল্লবী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
১. মো. জুয়েল আরমান ওরফে হ্যাচকা আরমান (২৬) ২. মো. রিপন কেনি (৩৫) ৩. মো. জাহিদ (২৭) ৪. মো. আরমান হোসেন ওরফে বাবা আরমান (৩১)
অভিযান শেষে আসামিদের তথ্যমতে একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে উদ্ধার করা হয়: ১টি জাপানি অত্যাধুনিক পিস্তল। ১ রাউন্ড তাজা গুলি। ৪টি দেশীয় অস্ত্র। বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও ফেন্সিডিল।
মঙ্গলবার বিকেলে মিরপুর-১ এর র্যাব-৪ সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাবুদ্দিন কবির জানান, উদ্ধারকৃত জাপানি পিস্তলটি ৫ আগস্টের আগে সরকারি নির্দেশনায় থানায় জমা দেওয়া হয়েছিল। থানা লুটের সময় এটি লুট করে চক্রটি। কয়েক দফা হাতবদল হওয়ার পর অস্ত্রটি মাদক স্পট দখল, চাঁদাবাজি এবং ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
র্যাব আরও জানায়, এই চক্রটি রাজধানীর বিভিন্ন ফ্লাইওভারে সুতার মাধ্যমে ছিনতাই ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তারা মিরপুর, পল্লবী, ভাষানটেক ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্র দেখিয়ে ভীতি প্রদর্শন করত।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাবুদ্দিন কবির বলেন,
"আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক ও ছিনতাই মামলা রয়েছে।"
গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি ৬ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভোরে রাজধানীর পল্লবী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
১. মো. জুয়েল আরমান ওরফে হ্যাচকা আরমান (২৬) ২. মো. রিপন কেনি (৩৫) ৩. মো. জাহিদ (২৭) ৪. মো. আরমান হোসেন ওরফে বাবা আরমান (৩১)
অভিযান শেষে আসামিদের তথ্যমতে একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে উদ্ধার করা হয়: ১টি জাপানি অত্যাধুনিক পিস্তল। ১ রাউন্ড তাজা গুলি। ৪টি দেশীয় অস্ত্র। বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও ফেন্সিডিল।
মঙ্গলবার বিকেলে মিরপুর-১ এর র্যাব-৪ সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাবুদ্দিন কবির জানান, উদ্ধারকৃত জাপানি পিস্তলটি ৫ আগস্টের আগে সরকারি নির্দেশনায় থানায় জমা দেওয়া হয়েছিল। থানা লুটের সময় এটি লুট করে চক্রটি। কয়েক দফা হাতবদল হওয়ার পর অস্ত্রটি মাদক স্পট দখল, চাঁদাবাজি এবং ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
র্যাব আরও জানায়, এই চক্রটি রাজধানীর বিভিন্ন ফ্লাইওভারে সুতার মাধ্যমে ছিনতাই ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তারা মিরপুর, পল্লবী, ভাষানটেক ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্র দেখিয়ে ভীতি প্রদর্শন করত।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাবুদ্দিন কবির বলেন,
"আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক ও ছিনতাই মামলা রয়েছে।"
গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

আপনার মতামত লিখুন