নজরবিডি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে জাফরাবাদ ৩৩১ নম্বর বাসার চারতলা ভবনের নিচতলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা গিয়ে দেখতে পান রত্না সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছেন। বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত রত্না আক্তার ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার দাঙ্গারপাড় গ্রামের সামাদ মাতব্বরের মেয়ে। তিনি বর্তমানে হাজারীবাগে স্বামী শাহাদাতের সঙ্গে থাকতেন।
হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বজলুর রশিদ জানান:
"আমরা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করি। তিনি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন, তা জানার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।"
এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে জাফরাবাদ ৩৩১ নম্বর বাসার চারতলা ভবনের নিচতলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা গিয়ে দেখতে পান রত্না সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছেন। বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত রত্না আক্তার ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার দাঙ্গারপাড় গ্রামের সামাদ মাতব্বরের মেয়ে। তিনি বর্তমানে হাজারীবাগে স্বামী শাহাদাতের সঙ্গে থাকতেন।
হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বজলুর রশিদ জানান:
"আমরা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করি। তিনি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন, তা জানার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।"
এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন