নজরবিডি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬
সোমবার (৫ জানুয়ারি) এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত নিহতের বাবা বাবুল প্যাদা ও চাচাতো চাচা রুবেলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর তারা আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশের তদন্ত ও আসামিদের জবানবন্দি থেকে জানা যায়:
নিহত আয়েশার মা সৌদি আরবে থাকেন। বাড়িতে এক আত্মীয়ের সঙ্গে বাবা বাবুল প্যাদাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে শিশু আয়েশা। বিষয়টি সে তার মা ও অন্য সদস্যদের জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে বাবুল আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
নিজের অপরাধ ঢাকতে মেয়েকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন বাবুল। এজন্য তিনি নিয়মিত বাড়িতে খেতে আসা চাচাতো ভাই রুবেলকে বিভিন্ন সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে আয়েশাকে হত্যার নির্দেশ দেন।
বাবার নির্দেশ পেয়ে রুবেল প্রথমে আয়েশাকে ধর্ষণ করেন এবং পরে ৭-৮ মিনিট শ্বাসরোধ করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
হত্যার পর বাবা ও চাচা মিলে মরদেহ বস্তাবন্দী করে গুমের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। পরে মরদেহটি রান্নাঘরের এক কোণে লুকিয়ে রাখেন।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান:
"চাচা রুবেলের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নিহতের বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা আদালতে হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে সব তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং দ্রুত আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।"
উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি (রবিবার) নিজ বাড়ির রান্নাঘর থেকে আয়েশার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এমন পাশবিক ঘটনায় পুরো পটুয়াখালী জেলাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৬ জানুয়ারি ২০২৬
সোমবার (৫ জানুয়ারি) এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত নিহতের বাবা বাবুল প্যাদা ও চাচাতো চাচা রুবেলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর তারা আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশের তদন্ত ও আসামিদের জবানবন্দি থেকে জানা যায়:
নিহত আয়েশার মা সৌদি আরবে থাকেন। বাড়িতে এক আত্মীয়ের সঙ্গে বাবা বাবুল প্যাদাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে শিশু আয়েশা। বিষয়টি সে তার মা ও অন্য সদস্যদের জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে বাবুল আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
নিজের অপরাধ ঢাকতে মেয়েকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন বাবুল। এজন্য তিনি নিয়মিত বাড়িতে খেতে আসা চাচাতো ভাই রুবেলকে বিভিন্ন সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে আয়েশাকে হত্যার নির্দেশ দেন।
বাবার নির্দেশ পেয়ে রুবেল প্রথমে আয়েশাকে ধর্ষণ করেন এবং পরে ৭-৮ মিনিট শ্বাসরোধ করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।
হত্যার পর বাবা ও চাচা মিলে মরদেহ বস্তাবন্দী করে গুমের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। পরে মরদেহটি রান্নাঘরের এক কোণে লুকিয়ে রাখেন।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান:
"চাচা রুবেলের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নিহতের বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা আদালতে হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে সব তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং দ্রুত আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।"
উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি (রবিবার) নিজ বাড়ির রান্নাঘর থেকে আয়েশার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এমন পাশবিক ঘটনায় পুরো পটুয়াখালী জেলাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা ছড়িয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন