নজরবিডি, ৭ জানুয়ারি ২০২৬
তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও খোদ বাদীনির বাবার বক্তব্যে মামলার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানা যায়, শেখরনগর ইউপির দক্ষিণ হাটি এলাকার সিঙ্গাপুর প্রবাসী উত্তম সরকারের স্ত্রী স্মৃতি সরকারের সাথে একই এলাকার অমল দাসের ছেলে প্রশান্ত দাসের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইতিপূর্বেও স্মৃতি একাধিক পরকীয়া ঘটনায় জড়িয়ে এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েন। কয়েক বছর আগে এক প্রেমিকের সাথে ঢাকার একটি হোটেলে ৩-৪ দিন অবস্থানকালে ধরা পড়লে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে আনা হয়। সেই ঘটনার জেরে তার পরিবারকে সামাজিকভাবে বহিষ্কার করা হলেও পরে মন্দিরের উন্নয়ন তহবিলে ৩০ হাজার টাকা জমা দিয়ে তারা পুনরায় সমাজে অন্তর্ভুক্ত হন।
গত ২০ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে মুন্সিগঞ্জ আমলী আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি পিটিশন মামলা (নং-৮৯/২০২৫) দায়ের করেন স্মৃতি সরকার। এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৩ অক্টোবর ২০২৫ সকালে নিজ বাড়ির উঠানে কাজ করার সময় আসামী প্রশান্ত দাস তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন এবং তার গলা থেকে প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন। মামলার পর থেকে প্রশান্ত দাস বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন।
মামলায় স্মৃতি সরকার তার নিজের পিতাকে স্বাক্ষী করলেও তার পিতা মেয়ের চারিত্রিক স্খলন ও মামলার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, "আমার মেয়ের চরিত্র ভালো না। ইতিপূর্বেও সে অনেক ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে যার কারণে আমি সমাজে মুখ দেখাতে পারি না। আমাকে মিথ্যা মামলার সাক্ষী করা হয়েছে, যা আমি জানতাম না। আমি কখনই এমন মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে যাব না।"
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাজানগর এলাকার এক যুবকের সাথে নতুন করে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ায় প্রশান্ত দাসের সাথে স্মৃতির বিরোধ তৈরি হয়। সেই বিরোধের জের ধরেই এই মামলা করা হয়েছে বলে তাদের ধারণা। এর আগেও সোনারগাঁও ও সৈয়দপুর এলাকায় একাধিক ব্যক্তির সাথে স্মৃতির পরকীয়া ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে স্মৃতি সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদকের পরিচয় পেয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি নিজেকে "ব্যস্ত" দাবি করে ফোন কেটে দেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৭ জানুয়ারি ২০২৬
তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও খোদ বাদীনির বাবার বক্তব্যে মামলার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানা যায়, শেখরনগর ইউপির দক্ষিণ হাটি এলাকার সিঙ্গাপুর প্রবাসী উত্তম সরকারের স্ত্রী স্মৃতি সরকারের সাথে একই এলাকার অমল দাসের ছেলে প্রশান্ত দাসের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইতিপূর্বেও স্মৃতি একাধিক পরকীয়া ঘটনায় জড়িয়ে এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েন। কয়েক বছর আগে এক প্রেমিকের সাথে ঢাকার একটি হোটেলে ৩-৪ দিন অবস্থানকালে ধরা পড়লে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে আনা হয়। সেই ঘটনার জেরে তার পরিবারকে সামাজিকভাবে বহিষ্কার করা হলেও পরে মন্দিরের উন্নয়ন তহবিলে ৩০ হাজার টাকা জমা দিয়ে তারা পুনরায় সমাজে অন্তর্ভুক্ত হন।
গত ২০ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে মুন্সিগঞ্জ আমলী আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি পিটিশন মামলা (নং-৮৯/২০২৫) দায়ের করেন স্মৃতি সরকার। এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৩ অক্টোবর ২০২৫ সকালে নিজ বাড়ির উঠানে কাজ করার সময় আসামী প্রশান্ত দাস তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন এবং তার গলা থেকে প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন। মামলার পর থেকে প্রশান্ত দাস বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন।
মামলায় স্মৃতি সরকার তার নিজের পিতাকে স্বাক্ষী করলেও তার পিতা মেয়ের চারিত্রিক স্খলন ও মামলার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, "আমার মেয়ের চরিত্র ভালো না। ইতিপূর্বেও সে অনেক ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে যার কারণে আমি সমাজে মুখ দেখাতে পারি না। আমাকে মিথ্যা মামলার সাক্ষী করা হয়েছে, যা আমি জানতাম না। আমি কখনই এমন মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে যাব না।"
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাজানগর এলাকার এক যুবকের সাথে নতুন করে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ায় প্রশান্ত দাসের সাথে স্মৃতির বিরোধ তৈরি হয়। সেই বিরোধের জের ধরেই এই মামলা করা হয়েছে বলে তাদের ধারণা। এর আগেও সোনারগাঁও ও সৈয়দপুর এলাকায় একাধিক ব্যক্তির সাথে স্মৃতির পরকীয়া ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে স্মৃতি সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদকের পরিচয় পেয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি নিজেকে "ব্যস্ত" দাবি করে ফোন কেটে দেন।

আপনার মতামত লিখুন