নোটিশে উল্লেখ করা হয়, প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নির্ধারিত তারিখে হাজির হতে ব্যর্থ হলে বা অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিক্রুটিং এজেন্সি সূত্রে জানা গেছে, কুয়েতের ভিসা প্রসেসিংয়ের সরকারি ফি মাত্র ৫ হাজার ৩০০ টাকা। অথচ একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রত্যেক কর্মীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে। গত আট বছরে এই পদ্ধতিতে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।
তথ্যানুসারে, কুয়েত বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ষষ্ঠ বৃহত্তম শ্রমবাজার এবং রেমিট্যান্স আয়ের পঞ্চম বৃহত্তম উৎস। ২০১৮ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অন্তত ১ লাখ ৩০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী কাজের ভিসা নিয়ে কুয়েতে গেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেট নির্ধারিত অতিরিক্ত ভিসা ফি আদায়ের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে।
একাধিক রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক জানান, দেশে প্রায় ২ হাজার ৯শ’ বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি থাকলেও মাত্র ১৪ থেকে ১৫টি প্রতিষ্ঠান কুয়েতের ভিসা প্রসেসিং নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। এই সীমিত সংখ্যক এজেন্সি মিলেই সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বাজারে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করেছে।
আব্দুস সালাম আরেফ আরেফ মর্ডান ওভারসীজ লিমিটেড ও এয়ার স্পিড প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)-এর সভাপতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ তিনি আটাবের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তবে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বছরের আগস্টে তার নেতৃত্বাধীন আটাবের কমিটি বিলুপ্ত করে সরকার প্রশাসক নিয়োগ দেয়।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, আটাবের শীর্ষ পদে অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে আরেফ কুয়েতের ভিসা প্রসেসিংয়ের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং পরে নির্ধারিত ৫ হাজার ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা আদায় শুরু করেন।
এদিকে, প্রতিযোগিতা কমিশন সূত্র জানায়, এক রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে উড়োজাহাজের গ্রুপ টিকিট মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি ও উচ্চ মূল্যে বিক্রির অভিযোগও তদন্তাধীন রয়েছে।
সরকারি মহলের আশা, এই অনুসন্ধানের মাধ্যমে কুয়েত ভিসা প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ভেঙে পড়বে এবং অভিবাসন খাতে স্বচ্ছতা ফিরবে। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নির্ধারিত তারিখে হাজির হতে ব্যর্থ হলে বা অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিক্রুটিং এজেন্সি সূত্রে জানা গেছে, কুয়েতের ভিসা প্রসেসিংয়ের সরকারি ফি মাত্র ৫ হাজার ৩০০ টাকা। অথচ একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রত্যেক কর্মীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে। গত আট বছরে এই পদ্ধতিতে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।
তথ্যানুসারে, কুয়েত বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ষষ্ঠ বৃহত্তম শ্রমবাজার এবং রেমিট্যান্স আয়ের পঞ্চম বৃহত্তম উৎস। ২০১৮ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অন্তত ১ লাখ ৩০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী কাজের ভিসা নিয়ে কুয়েতে গেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেট নির্ধারিত অতিরিক্ত ভিসা ফি আদায়ের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে।
একাধিক রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক জানান, দেশে প্রায় ২ হাজার ৯শ’ বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি থাকলেও মাত্র ১৪ থেকে ১৫টি প্রতিষ্ঠান কুয়েতের ভিসা প্রসেসিং নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। এই সীমিত সংখ্যক এজেন্সি মিলেই সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বাজারে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করেছে।
আব্দুস সালাম আরেফ আরেফ মর্ডান ওভারসীজ লিমিটেড ও এয়ার স্পিড প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)-এর সভাপতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ তিনি আটাবের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তবে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বছরের আগস্টে তার নেতৃত্বাধীন আটাবের কমিটি বিলুপ্ত করে সরকার প্রশাসক নিয়োগ দেয়।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, আটাবের শীর্ষ পদে অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে আরেফ কুয়েতের ভিসা প্রসেসিংয়ের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং পরে নির্ধারিত ৫ হাজার ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা আদায় শুরু করেন।
এদিকে, প্রতিযোগিতা কমিশন সূত্র জানায়, এক রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে উড়োজাহাজের গ্রুপ টিকিট মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি ও উচ্চ মূল্যে বিক্রির অভিযোগও তদন্তাধীন রয়েছে।
সরকারি মহলের আশা, এই অনুসন্ধানের মাধ্যমে কুয়েত ভিসা প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ভেঙে পড়বে এবং অভিবাসন খাতে স্বচ্ছতা ফিরবে। 
আপনার মতামত লিখুন