নজরবিডি, বাংলাদেশ
সুন্দরবনের জেলে ও পর্যটকদের কাছে মূর্তিমান আতঙ্ক বনদস্যু মাসুম মৃধা ও তার এক সহযোগীকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড।
বুধবার (০৭ জানুয়ারি) রাতে সুন্দরবন সংলগ্ন কৈলাশগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
কোস্টগার্ড পশ্চিমজোনের সদস্যরা এই অভিযানে মাসুম মৃধা ও তার সহযোগী ইফাজ ফকিরকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে ৩টি দেশীয় ওয়ান শুটার পাইপগান, ৮ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ২টি দেশীয় কুড়াল, ১টি দা এবং ১টি স্টিল পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড পশ্চিমজোনের অপারেশন কর্মকর্তা লেঃ কমান্ডার আবরার হাসান জানান, গত ২ জানুয়ারি গোলকানন রিসোর্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে ২ জন পর্যটক ও রিসোর্ট মালিককে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি করেছিল মাসুম বাহিনী। পরে গোয়েন্দা তথ্য, ড্রোন নজরদারি ও ফিনান্সিয়াল ট্রেসিং ব্যবহার করে টানা ৪৮ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে জিম্মিদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
কোস্টগার্ডের তথ্যমতে, গত এক বছরে সুন্দরবনে জলদস্যু বিরোধী অভিযানে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। এই সময়ে:
মোট আটক: ৪৯ জন সক্রিয় বনদস্যু।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র: ৩৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২টি হাতবোমা, ৭৪টি দেশীয় অস্ত্র এবং বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম।
গোলাবারুদ: ৪৪৮ রাউন্ড কার্তুজ।
জিম্মি উদ্ধার: ৫২ জন নারী ও পুরুষ।
এই অভিযানের ফলে আছাবুর বাহিনী, হান্নান বাহিনী, আনারুল বাহিনী, মঞ্জু বাহিনী এবং রাঙ্গা বাহিনীকে সম্পূর্ণরূপে নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে সক্রিয় করিম শরিফ, জাহাঙ্গীর ও দয়াল বাহিনীকে দমনে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
লেঃ কমান্ডার আবরার হাসান বলেন, সুন্দরবনের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ডের জনবল বৃদ্ধি, নতুন স্টেশন স্থাপন, দ্রুতগামী স্পিডবোট এবং আধুনিক ড্রোনের ব্যবহার বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, বাংলাদেশ
সুন্দরবনের জেলে ও পর্যটকদের কাছে মূর্তিমান আতঙ্ক বনদস্যু মাসুম মৃধা ও তার এক সহযোগীকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড।
বুধবার (০৭ জানুয়ারি) রাতে সুন্দরবন সংলগ্ন কৈলাশগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
কোস্টগার্ড পশ্চিমজোনের সদস্যরা এই অভিযানে মাসুম মৃধা ও তার সহযোগী ইফাজ ফকিরকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে ৩টি দেশীয় ওয়ান শুটার পাইপগান, ৮ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ২টি দেশীয় কুড়াল, ১টি দা এবং ১টি স্টিল পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড পশ্চিমজোনের অপারেশন কর্মকর্তা লেঃ কমান্ডার আবরার হাসান জানান, গত ২ জানুয়ারি গোলকানন রিসোর্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে ২ জন পর্যটক ও রিসোর্ট মালিককে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি করেছিল মাসুম বাহিনী। পরে গোয়েন্দা তথ্য, ড্রোন নজরদারি ও ফিনান্সিয়াল ট্রেসিং ব্যবহার করে টানা ৪৮ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে জিম্মিদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
কোস্টগার্ডের তথ্যমতে, গত এক বছরে সুন্দরবনে জলদস্যু বিরোধী অভিযানে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। এই সময়ে:
মোট আটক: ৪৯ জন সক্রিয় বনদস্যু।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র: ৩৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২টি হাতবোমা, ৭৪টি দেশীয় অস্ত্র এবং বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম।
গোলাবারুদ: ৪৪৮ রাউন্ড কার্তুজ।
জিম্মি উদ্ধার: ৫২ জন নারী ও পুরুষ।
এই অভিযানের ফলে আছাবুর বাহিনী, হান্নান বাহিনী, আনারুল বাহিনী, মঞ্জু বাহিনী এবং রাঙ্গা বাহিনীকে সম্পূর্ণরূপে নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে সক্রিয় করিম শরিফ, জাহাঙ্গীর ও দয়াল বাহিনীকে দমনে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
লেঃ কমান্ডার আবরার হাসান বলেন, সুন্দরবনের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ডের জনবল বৃদ্ধি, নতুন স্টেশন স্থাপন, দ্রুতগামী স্পিডবোট এবং আধুনিক ড্রোনের ব্যবহার বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন