নজরবিডি, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
মাদারীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির দায়ে এক আনসার সদস্য ও এক গৃহিণীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী চক্রের সরবরাহ করা ডিজিটাল উত্তরপত্র ও হাতে লেখা শিট উদ্ধার করা হয়েছে।
১. অমৃত মণ্ডল: কালকিনি উপজেলার জুরগাঁও গ্রামের অবিনাশ মণ্ডলের ছেলে। তিনি বর্তমানে মতিঝিল থানায় আনসার সদস্য হিসেবে কর্মরত। ২. লাভলী বেগম: মাদারীপুর সদর উপজেলার ছয়না এলাকার আরিফুল ইসলামের স্ত্রী।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা শহরের পৃথক দুটি কেন্দ্রে এই জালিয়াতির ঘটনা ঘটে:
আসমত আলী খান পাবলিক স্কুল কেন্দ্র: অমৃত মণ্ডল পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোনে উত্তরপত্র দেখছিলেন। হল পরিদর্শক তাঁর কাছ থেকে ফোনটি উদ্ধার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, রাজৈর উপজেলার অসীম গাইন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি এই উত্তরপত্র সংগ্রহ করেছেন।
চরমুগরিয়া মহাবিদ্যালয় কেন্দ্র: কেন্দ্রের সামনে বসে লাভলী বেগম হাতে লেখা একটি উত্তরপত্রের শিট পড়ছিলেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নজরে পড়লে তিনি বিষয়টি দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা ইসলামকে জানান। উদ্ধারকৃত শিটের সঙ্গে পরীক্ষার মূল প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া যায়।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, শুক্রবার রাতেই গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শনিবার) সকালে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।
পুলিশ আরও জানায়, এই চক্রের মূল হোতা অসীম গাইনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
মাদারীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির দায়ে এক আনসার সদস্য ও এক গৃহিণীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী চক্রের সরবরাহ করা ডিজিটাল উত্তরপত্র ও হাতে লেখা শিট উদ্ধার করা হয়েছে।
১. অমৃত মণ্ডল: কালকিনি উপজেলার জুরগাঁও গ্রামের অবিনাশ মণ্ডলের ছেলে। তিনি বর্তমানে মতিঝিল থানায় আনসার সদস্য হিসেবে কর্মরত। ২. লাভলী বেগম: মাদারীপুর সদর উপজেলার ছয়না এলাকার আরিফুল ইসলামের স্ত্রী।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা শহরের পৃথক দুটি কেন্দ্রে এই জালিয়াতির ঘটনা ঘটে:
আসমত আলী খান পাবলিক স্কুল কেন্দ্র: অমৃত মণ্ডল পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোনে উত্তরপত্র দেখছিলেন। হল পরিদর্শক তাঁর কাছ থেকে ফোনটি উদ্ধার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, রাজৈর উপজেলার অসীম গাইন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি এই উত্তরপত্র সংগ্রহ করেছেন।
চরমুগরিয়া মহাবিদ্যালয় কেন্দ্র: কেন্দ্রের সামনে বসে লাভলী বেগম হাতে লেখা একটি উত্তরপত্রের শিট পড়ছিলেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নজরে পড়লে তিনি বিষয়টি দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা ইসলামকে জানান। উদ্ধারকৃত শিটের সঙ্গে পরীক্ষার মূল প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া যায়।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, শুক্রবার রাতেই গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শনিবার) সকালে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।
পুলিশ আরও জানায়, এই চক্রের মূল হোতা অসীম গাইনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন