নজরবিডি, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
ঘুষের বিনিময়ে গাঁজা বোঝাই একটি যান ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এই বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়।
নবীনগর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) জাহিদ আহসান ও কনস্টেবল আবু কাউসার।
সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি ভোরে নবীনগর উপজেলার কানাবাড়ি মোড়ে টহলরত অবস্থায় এসআই জাহিদ ও কনস্টেবল কাউসার একটি পিকআপ ভ্যান আটক করেন। সন্দেহ ছিল গাড়িটিতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচার করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, তল্লাশির পর মাদক পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন এবং মাদকসহ গাড়িটি ছেড়ে দেন।
ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে তোলপাড় শুরু হয়। বিষয়টি জেলা পুলিশের নজরে এলে একটি অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অনৈতিক লেনদেনের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় শুক্রবার রাতে তাদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ বাহিনীতে অপরাধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কোনো ঠাঁই নেই। তিনি বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বরখাস্ত করে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
ঘুষের বিনিময়ে গাঁজা বোঝাই একটি যান ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এই বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়।
নবীনগর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) জাহিদ আহসান ও কনস্টেবল আবু কাউসার।
সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি ভোরে নবীনগর উপজেলার কানাবাড়ি মোড়ে টহলরত অবস্থায় এসআই জাহিদ ও কনস্টেবল কাউসার একটি পিকআপ ভ্যান আটক করেন। সন্দেহ ছিল গাড়িটিতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচার করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, তল্লাশির পর মাদক পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন এবং মাদকসহ গাড়িটি ছেড়ে দেন।
ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে তোলপাড় শুরু হয়। বিষয়টি জেলা পুলিশের নজরে এলে একটি অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অনৈতিক লেনদেনের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় শুক্রবার রাতে তাদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ বাহিনীতে অপরাধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কোনো ঠাঁই নেই। তিনি বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বরখাস্ত করে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন