ফরিদপুর শহরের আলীপুর ব্রিজ এলাকায় পরিত্যক্ত একটি ব্যাগ থেকে বোমা বা ককটেল সদৃশ একাধিক বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যাগটি উদ্ধার করে এবং বর্তমানে বিশেষ প্রক্রিয়ায় সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ চলছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আলীপুর ব্রিজসংলগ্ন একটি বস্তি এলাকার ভেতর সন্দেহজনক ব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানায়। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে ব্যাগটি উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত বস্তুগুলো বোমা নাকি ককটেল—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তবে বোমা বা ককটেল সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এসব বিস্ফোরক সদৃশ বস্তুর সঠিক সংখ্যা এখনও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় সেনাবাহিনী বিশেষভাবে কাজ করছে এবং বোমা নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ফরিদপুর শহরের আলীপুর ব্রিজ এলাকায় পরিত্যক্ত একটি ব্যাগ থেকে বোমা বা ককটেল সদৃশ একাধিক বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যাগটি উদ্ধার করে এবং বর্তমানে বিশেষ প্রক্রিয়ায় সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ চলছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আলীপুর ব্রিজসংলগ্ন একটি বস্তি এলাকার ভেতর সন্দেহজনক ব্যাগটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানায়। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে ব্যাগটি উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত বস্তুগুলো বোমা নাকি ককটেল—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তবে বোমা বা ককটেল সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এসব বিস্ফোরক সদৃশ বস্তুর সঠিক সংখ্যা এখনও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় সেনাবাহিনী বিশেষভাবে কাজ করছে এবং বোমা নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন