রাজধানী। ঢাকা:
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার এক সাংবাদিকের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর ছোট ভাই। ভুক্তভোগী সাংবাদিক রাকিবুল ইসলাম শান্ত (৩০) বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১৩ নম্বর সেক্টরের গরীবে নেওয়াজ এভিনিউ এলাকায় জমজম টাওয়ারের পাশে অবস্থিত ‘মুসলিম হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’-এ অবৈধ গ্যাস সংযোগ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে যান সাংবাদিক রাকিবুল ইসলাম শান্ত। এ সময় রেস্টুরেন্টটির মালিক ও কর্মচারীরা পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে হোটেলের খুন্তি, লোহার রড, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্রসহ তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় শান্ত গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে টানা তিন দিন ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাথায় আঘাত ও চোখে রক্তক্ষরণের কারণে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত সাংবাদিকের ছোট ভাই মোঃ রাহাদ ইসলাম বাদী হয়ে গতকাল রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে মুসলিম রেস্টুরেন্টের মালিক খোকন, তার সহযোগী সোহাগ জমাদ্দার, জাকির, রাজুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫–২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত খোকন আওয়ামী যুবলীগের একজন সক্রিয় সদস্য ও অর্থ যোগানদাতা। তার নেতৃত্বেই হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে সাংবাদিক শান্তকে মারধর করে সড়কে টেনে নিয়ে যায়। এ সময় তার মাথা, চোখ-মুখ, পিঠ ও কোমরে আঘাত করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা সাংবাদিক শান্তর ব্যবহৃত পিবি-১০০ মডেলের ক্যামেরা ভাঙচুর করে। তার ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুল ও বাম হাতের মধ্যমা আঙুল ভেঙে যায় এবং ডান কান দিয়ে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়। এছাড়া অভিযুক্তরা তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, হাতঘড়ি, গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও নগদ ৩২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পাশাপাশি গোপন ক্যামেরার ডিভাইস, মেমোরি কার্ড ও পেনড্রাইভ জোরপূর্বক নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশ করা হলে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও লাশ গুম করার ভয় দেখানো হয়। বাদী মোঃ রাহাদ ইসলাম জানান, অভিযোগ দাখিলের সময় ভুক্তভোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত দুটি মেডিকেল রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। নিয়ামুল ইসলাম সজিব, নজরবিডি, ঢাকা
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানী। ঢাকা:
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার এক সাংবাদিকের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর ছোট ভাই। ভুক্তভোগী সাংবাদিক রাকিবুল ইসলাম শান্ত (৩০) বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১৩ নম্বর সেক্টরের গরীবে নেওয়াজ এভিনিউ এলাকায় জমজম টাওয়ারের পাশে অবস্থিত ‘মুসলিম হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’-এ অবৈধ গ্যাস সংযোগ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে যান সাংবাদিক রাকিবুল ইসলাম শান্ত। এ সময় রেস্টুরেন্টটির মালিক ও কর্মচারীরা পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টি করে হোটেলের খুন্তি, লোহার রড, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্রসহ তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় শান্ত গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে টানা তিন দিন ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাথায় আঘাত ও চোখে রক্তক্ষরণের কারণে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত সাংবাদিকের ছোট ভাই মোঃ রাহাদ ইসলাম বাদী হয়ে গতকাল রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে মুসলিম রেস্টুরেন্টের মালিক খোকন, তার সহযোগী সোহাগ জমাদ্দার, জাকির, রাজুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫–২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত খোকন আওয়ামী যুবলীগের একজন সক্রিয় সদস্য ও অর্থ যোগানদাতা। তার নেতৃত্বেই হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে সাংবাদিক শান্তকে মারধর করে সড়কে টেনে নিয়ে যায়। এ সময় তার মাথা, চোখ-মুখ, পিঠ ও কোমরে আঘাত করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা সাংবাদিক শান্তর ব্যবহৃত পিবি-১০০ মডেলের ক্যামেরা ভাঙচুর করে। তার ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুল ও বাম হাতের মধ্যমা আঙুল ভেঙে যায় এবং ডান কান দিয়ে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়। এছাড়া অভিযুক্তরা তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, হাতঘড়ি, গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও নগদ ৩২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পাশাপাশি গোপন ক্যামেরার ডিভাইস, মেমোরি কার্ড ও পেনড্রাইভ জোরপূর্বক নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশ করা হলে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও লাশ গুম করার ভয় দেখানো হয়। বাদী মোঃ রাহাদ ইসলাম জানান, অভিযোগ দাখিলের সময় ভুক্তভোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত দুটি মেডিকেল রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। নিয়ামুল ইসলাম সজিব, নজরবিডি, ঢাকা
আপনার মতামত লিখুন