ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে ডাকাতির চেষ্টাকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, আটকদের মধ্যে সাবেক দুই পুলিশ সদস্য এবং একজন বহিষ্কৃত সেনাসদস্য রয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে পদ্মা সেতু উত্তর টোল প্লাজা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন: ১. কাজল ইসলাম জিকু (চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য) ২. রুবেল রানা (বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্য) ৩. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু (চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য) ৪. বশির হাওলাদার ৫. হীরা বেপারী ৬. ফয়সাল রাব্বি
পুলিশ জানায়, এরা সবাই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করলেও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে এই চক্রটি গড়ে তুলেছে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
অভিযানকালে ডাকাতদের ব্যবহৃত একটি সিলভার রঙের হাইস মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে: ৪টি ডিবি পুলিশের পোশাক (জ্যাকেট), ১ জোড়া হ্যান্ডকাফ, ১টি ওয়াকিটকি সেট, ১টি ইলেকট্রিক শক দেওয়ার মেশিন, ১টি লেজার লাইট
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ পদ্মা সেতুর উত্তর টোল প্লাজায় অবস্থান নেয়। এসময় একটি দ্রুতগামী মাইক্রোবাস পার হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ সেটিকে থামায়। গাড়ির ভেতর থেকে একজন নিজেকে ডিবি অফিসার পরিচয় দিয়ে ওয়াকিটকি দেখান। কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করলে ডাকাতরা আতঙ্কিত হয়ে গাড়ির কাঁচ ভেঙে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া দিয়ে পুলিশ তাদের ছয়জনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতরা স্বীকার করেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে ডিবি পরিচয়ে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ডাকাতি করে আসছে। মূলত ঢাকা থেকে টাকা বা স্বর্ণালংকার নিয়ে যাতায়াতকারী বাসযাত্রীদের তারা টার্গেট করতো। বাস থামিয়ে তল্লাশির নামে যাত্রীদের নিজেদের মাইক্রোবাসে তুলে নিতো। এরপর নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর ও সর্বস্ব লুটে নিয়ে তাদের ফেলে পালিয়ে যেতো।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আটককৃতদের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ মুন্সীগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মুন্সীগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (পদ্মা ডিবি) ইনচার্জ মহিদুল ইসলাম জানান, ডিবি সেজে ডাকাতি করা এই চক্রটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। তাদের নেটওয়ার্কের আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে ডাকাতির চেষ্টাকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, আটকদের মধ্যে সাবেক দুই পুলিশ সদস্য এবং একজন বহিষ্কৃত সেনাসদস্য রয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে পদ্মা সেতু উত্তর টোল প্লাজা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন: ১. কাজল ইসলাম জিকু (চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য) ২. রুবেল রানা (বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্য) ৩. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু (চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য) ৪. বশির হাওলাদার ৫. হীরা বেপারী ৬. ফয়সাল রাব্বি
পুলিশ জানায়, এরা সবাই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করলেও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে এই চক্রটি গড়ে তুলেছে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
অভিযানকালে ডাকাতদের ব্যবহৃত একটি সিলভার রঙের হাইস মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে: ৪টি ডিবি পুলিশের পোশাক (জ্যাকেট), ১ জোড়া হ্যান্ডকাফ, ১টি ওয়াকিটকি সেট, ১টি ইলেকট্রিক শক দেওয়ার মেশিন, ১টি লেজার লাইট
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ পদ্মা সেতুর উত্তর টোল প্লাজায় অবস্থান নেয়। এসময় একটি দ্রুতগামী মাইক্রোবাস পার হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ সেটিকে থামায়। গাড়ির ভেতর থেকে একজন নিজেকে ডিবি অফিসার পরিচয় দিয়ে ওয়াকিটকি দেখান। কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করলে ডাকাতরা আতঙ্কিত হয়ে গাড়ির কাঁচ ভেঙে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া দিয়ে পুলিশ তাদের ছয়জনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতরা স্বীকার করেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে ডিবি পরিচয়ে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ডাকাতি করে আসছে। মূলত ঢাকা থেকে টাকা বা স্বর্ণালংকার নিয়ে যাতায়াতকারী বাসযাত্রীদের তারা টার্গেট করতো। বাস থামিয়ে তল্লাশির নামে যাত্রীদের নিজেদের মাইক্রোবাসে তুলে নিতো। এরপর নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর ও সর্বস্ব লুটে নিয়ে তাদের ফেলে পালিয়ে যেতো।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আটককৃতদের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ মুন্সীগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মুন্সীগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (পদ্মা ডিবি) ইনচার্জ মহিদুল ইসলাম জানান, ডিবি সেজে ডাকাতি করা এই চক্রটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। তাদের নেটওয়ার্কের আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন