ডুমুরিয়ার খর্ণিয়ায় চিংড়িতে পুশ বিরোধী মোবাইল কোর্ট.....
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া বাজারে চিংড়িতে জেলি ও পানি পুশ করে ওজন বাড়ানোর অপচেষ্টা রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে এক ডিপো মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা, একটি দোকান সিলগালা এবং প্রায় ৪০ কেজি পুশকৃত চিংড়ি জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান। অভিযান চলাকালে আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যবসায়ীকে জেলি পুশ করা অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে এক বালতি জেলি, পুশ করার সরঞ্জাম ও ১৫ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। অপরাধ স্বীকার করায় তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া পার্শ্ববর্তী অন্য একটি ঘরে অভিযান চালিয়ে আরও ২৫ কেজি পুশকৃত চিংড়ি উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে মালিক পালিয়ে যাওয়ায় ঘরটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। জব্দকৃত সকল চিংড়ি পরবর্তীতে উপজেলা চত্বরে এনে বিনষ্ট ও মাটিচাপা দেওয়া হয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান জানান, পুশকৃত চিংড়ি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এবং এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। ভোক্তাদের সুরক্ষা ও দেশের চিংড়ি শিল্পের আন্তর্জাতিক সুনাম রক্ষায় আমাদের এই ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।"

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জেলি বা পানি পুশের মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় চিংড়ি শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। উপকূলীয় অঞ্চলে নিয়মিত তদারকি, রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে এই শিল্পে পুনরায় শৃঙ্খলা ও বিশ্বস্ততা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
অভিযানে উপজেলা মৎস্য ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ডুমুরিয়া থানা পুলিশের একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
ডুমুরিয়ার খর্ণিয়ায় চিংড়িতে পুশ বিরোধী মোবাইল কোর্ট.....
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া বাজারে চিংড়িতে জেলি ও পানি পুশ করে ওজন বাড়ানোর অপচেষ্টা রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে এক ডিপো মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা, একটি দোকান সিলগালা এবং প্রায় ৪০ কেজি পুশকৃত চিংড়ি জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান। অভিযান চলাকালে আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যবসায়ীকে জেলি পুশ করা অবস্থায় হাতেনাতে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে এক বালতি জেলি, পুশ করার সরঞ্জাম ও ১৫ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। অপরাধ স্বীকার করায় তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া পার্শ্ববর্তী অন্য একটি ঘরে অভিযান চালিয়ে আরও ২৫ কেজি পুশকৃত চিংড়ি উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে মালিক পালিয়ে যাওয়ায় ঘরটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। জব্দকৃত সকল চিংড়ি পরবর্তীতে উপজেলা চত্বরে এনে বিনষ্ট ও মাটিচাপা দেওয়া হয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান জানান, পুশকৃত চিংড়ি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এবং এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। ভোক্তাদের সুরক্ষা ও দেশের চিংড়ি শিল্পের আন্তর্জাতিক সুনাম রক্ষায় আমাদের এই ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।"

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জেলি বা পানি পুশের মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় চিংড়ি শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। উপকূলীয় অঞ্চলে নিয়মিত তদারকি, রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে এই শিল্পে পুনরায় শৃঙ্খলা ও বিশ্বস্ততা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
অভিযানে উপজেলা মৎস্য ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ডুমুরিয়া থানা পুলিশের একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।

আপনার মতামত লিখুন