অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও চকলেট বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় গ্যাংয়ের কোনো সদস্যকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
জেলা প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র এবং বোমা উদ্ধার করা হলেও গ্যাংয়ের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা থেকে ভোর পর্যন্ত গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রাম সংলগ্ন খেয়াঘাট এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। সদর দপ্তর ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেডের অধীনে গজারিয়া আর্মি ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে।
দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার তল্লাশিতে ওই আস্তানা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৬টি ধারালো দেশীয় অস্ত্র। ৫টি লোহার রড। ৩০টি চকলেট বোমা।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্থানীয় সাব্বির, শাকিল ও মিহাদের নেতৃত্বে এই কিশোর গ্যাংটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছিল। তারা দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
গজারিয়া সেনা ক্যাম্পের অপারেশন অফিসার জানিয়েছেন, এলাকার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও চকলেট বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় গ্যাংয়ের কোনো সদস্যকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
জেলা প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র এবং বোমা উদ্ধার করা হলেও গ্যাংয়ের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা থেকে ভোর পর্যন্ত গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রাম সংলগ্ন খেয়াঘাট এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। সদর দপ্তর ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেডের অধীনে গজারিয়া আর্মি ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে।
দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার তল্লাশিতে ওই আস্তানা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৬টি ধারালো দেশীয় অস্ত্র। ৫টি লোহার রড। ৩০টি চকলেট বোমা।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্থানীয় সাব্বির, শাকিল ও মিহাদের নেতৃত্বে এই কিশোর গ্যাংটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছিল। তারা দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
গজারিয়া সেনা ক্যাম্পের অপারেশন অফিসার জানিয়েছেন, এলাকার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন