এনসিপিকে ভোট দেওয়ার অভিযোগে স্বামীকে বেঁধে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে জামাত আমিরের ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (National Citizen Party-NCP)–কে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে তিন সন্তানের এক জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চানন্দী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা তাঁর স্বামীকে বেঁধে ফেলে এবং এনসিপিকে ভোট দেওয়ার অভিযোগ তুলে ওই গৃহবধূর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায় বলে পরিবারের দাবি।
পরদিন শনিবার বিকেলে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর জামাত আমির ডা. শফিকুর রহমান ফোনে ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন
উল্লেখ করে তাঁরে নিজের ফেসবুক ভেরিফাই একাউন্টে ্পএকটি পোস্ট করেছেন। তাঁদের ওপর নেমে আসা এই সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে।
তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণাজুড়ে প্রতিহিংসামুক্ত রাজনীতি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, এ ধরনের ঘটনা তার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এটি কোনো রাজনৈতিক আচরণ নয়, বরং চরম ঔদ্ধত্য ও অপরাধ—যার অবসান জরুরি। বিশেষ করে নারীর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে এবং ভোট দেওয়ার কারণে কাউকে ভয়ভীতি, হামলা বা সহিংসতার শিকার হতে হবে—এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব হলো দলীয় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এ বিষয়ে তিনি শিগগিরই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দ্রুত, নিরপেক্ষ এবং ভয়ভীতিমুক্তভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্তের প্রস্তুতির কথা জানা গেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এনসিপিকে ভোট দেওয়ার অভিযোগে স্বামীকে বেঁধে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে জামাত আমিরের ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (National Citizen Party-NCP)–কে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে তিন সন্তানের এক জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চানন্দী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা তাঁর স্বামীকে বেঁধে ফেলে এবং এনসিপিকে ভোট দেওয়ার অভিযোগ তুলে ওই গৃহবধূর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায় বলে পরিবারের দাবি।
পরদিন শনিবার বিকেলে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর জামাত আমির ডা. শফিকুর রহমান ফোনে ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন
উল্লেখ করে তাঁরে নিজের ফেসবুক ভেরিফাই একাউন্টে ্পএকটি পোস্ট করেছেন। তাঁদের ওপর নেমে আসা এই সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে।
তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণাজুড়ে প্রতিহিংসামুক্ত রাজনীতি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, এ ধরনের ঘটনা তার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এটি কোনো রাজনৈতিক আচরণ নয়, বরং চরম ঔদ্ধত্য ও অপরাধ—যার অবসান জরুরি। বিশেষ করে নারীর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে এবং ভোট দেওয়ার কারণে কাউকে ভয়ভীতি, হামলা বা সহিংসতার শিকার হতে হবে—এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব হলো দলীয় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এ বিষয়ে তিনি শিগগিরই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দ্রুত, নিরপেক্ষ এবং ভয়ভীতিমুক্তভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্তের প্রস্তুতির কথা জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন