কমলাপুরে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ২০
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি - রহমাতুল্লাহ সেখগোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিরোধের জেরে আনোয়ার মুন্সি গ্রুপ ও নুর ইসলাম গ্রুপের মধ্যে হঠাৎ উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে আনোয়ার মুন্সির ছেলে দুলাল মুন্সি (৪০), মিলন মুন্সি, নিলু মুন্সিসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হন।
আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে প্রথমে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আহত মিলু মুন্সি (৬০), নিলু মুন্সি (৫০) ও দুলাল মুন্সিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিলু মুন্সি (৫০) মারা যান।
ঘটনার পর কমলাপুর গ্রামে উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় টহল জোরদার রয়েছে বলে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কমলাপুরে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ২০
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি - রহমাতুল্লাহ সেখগোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিরোধের জেরে আনোয়ার মুন্সি গ্রুপ ও নুর ইসলাম গ্রুপের মধ্যে হঠাৎ উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে আনোয়ার মুন্সির ছেলে দুলাল মুন্সি (৪০), মিলন মুন্সি, নিলু মুন্সিসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হন।
আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে প্রথমে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আহত মিলু মুন্সি (৬০), নিলু মুন্সি (৫০) ও দুলাল মুন্সিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিলু মুন্সি (৫০) মারা যান।
ঘটনার পর কমলাপুর গ্রামে উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় টহল জোরদার রয়েছে বলে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন