গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় জাল টাকাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) উপজেলার পূবালী ব্যাংকের একটি শাখায় টাকা অনলাইন করার সময় জমা দেওয়া নোটের মধ্যে জাল টাকা শনাক্ত হলে ঘটনাটি সামনে আসে।স্পেশাল করসপন্ডেন্ট - মো: ছিরু মিয়া
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আব্দুর রহিম ফকির (৩৫) নামে এক ব্যক্তি মোট ৯২ হাজার টাকা অনলাইনের উদ্দেশ্যে ব্যাংকে জমা দিতে আসেন। টাকা গ্রহণের পর ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নোটগুলো গণনা ও যাচাই করতে গিয়ে কিছু নোটে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন। পরে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, জমা দেওয়া অর্থের মধ্যে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার মতো জাল নোট রয়েছে।
আব্দুর রহিম ফকির মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোঃ খোকন ফকির। জাল নোটের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিতে কৌশলে তাকে ব্যাংকের ভেতরে আটকে রাখেন এবং সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি মুকসুদপুর থানা পুলিশকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যাংক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নোটগুলো পুনরায় পরীক্ষা করে। প্রাথমিকভাবে বেশ কয়েকটি নোট জাল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে জাল নোটের প্রচলন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই লেনদেনের সময় সবাইকে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং জাল টাকার উৎস শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় জাল টাকাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) উপজেলার পূবালী ব্যাংকের একটি শাখায় টাকা অনলাইন করার সময় জমা দেওয়া নোটের মধ্যে জাল টাকা শনাক্ত হলে ঘটনাটি সামনে আসে।স্পেশাল করসপন্ডেন্ট - মো: ছিরু মিয়া
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আব্দুর রহিম ফকির (৩৫) নামে এক ব্যক্তি মোট ৯২ হাজার টাকা অনলাইনের উদ্দেশ্যে ব্যাংকে জমা দিতে আসেন। টাকা গ্রহণের পর ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নোটগুলো গণনা ও যাচাই করতে গিয়ে কিছু নোটে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন। পরে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, জমা দেওয়া অর্থের মধ্যে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার মতো জাল নোট রয়েছে।
আব্দুর রহিম ফকির মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোঃ খোকন ফকির। জাল নোটের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিতে কৌশলে তাকে ব্যাংকের ভেতরে আটকে রাখেন এবং সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি মুকসুদপুর থানা পুলিশকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যাংক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নোটগুলো পুনরায় পরীক্ষা করে। প্রাথমিকভাবে বেশ কয়েকটি নোট জাল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে জাল নোটের প্রচলন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই লেনদেনের সময় সবাইকে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং জাল টাকার উৎস শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন