শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুর সদর থানা পুলিশ পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করে। পুলিশ জানায়, এসআই সেলিমের নেতৃত্বে শহরের সিংহজানী রোডের আতাউর রহমান মন্টুর বাসা থেকে অনিতাকে এবং এসআই খাইরুজ্জামানের নেতৃত্বে শহরের ফৌজদারি মোড় এলাকা থেকে জয়কে আটক করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শহরের সিংহজানী রোড কাচারীপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাসকারী এক সাংবাদিকের কক্ষ থেকে একটি ওয়ালটন ল্যাপটপ, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি A13, একটি ভিভো Y20 মোবাইল ফোন এবং নগদ ৪৪ হাজার ৭২০ টাকা চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক থানায় অভিযোগ করেন।
পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে কিছু আলামত উদ্ধার হলেও নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ফেরত না পাওয়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ নিয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলে তদন্ত শেষে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
এছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ, রনি মিয়া ওরফে জয় মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, “আমার বাসা থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল নেওয়ার পর ফেরত চাইলে তারা আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখায় এবং পরে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ কারণে আইনি সহায়তা নিতে বাধ্য হই।”
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, “আদালতের নির্দেশে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুর সদর থানা পুলিশ পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করে। পুলিশ জানায়, এসআই সেলিমের নেতৃত্বে শহরের সিংহজানী রোডের আতাউর রহমান মন্টুর বাসা থেকে অনিতাকে এবং এসআই খাইরুজ্জামানের নেতৃত্বে শহরের ফৌজদারি মোড় এলাকা থেকে জয়কে আটক করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শহরের সিংহজানী রোড কাচারীপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাসকারী এক সাংবাদিকের কক্ষ থেকে একটি ওয়ালটন ল্যাপটপ, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি A13, একটি ভিভো Y20 মোবাইল ফোন এবং নগদ ৪৪ হাজার ৭২০ টাকা চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক থানায় অভিযোগ করেন।
পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে কিছু আলামত উদ্ধার হলেও নগদ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ফেরত না পাওয়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ নিয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলে তদন্ত শেষে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
এছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ, রনি মিয়া ওরফে জয় মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং ভুয়া সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, “আমার বাসা থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল নেওয়ার পর ফেরত চাইলে তারা আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখায় এবং পরে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ কারণে আইনি সহায়তা নিতে বাধ্য হই।”
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, “আদালতের নির্দেশে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন