রাজধানীর উত্তরখান এলাকায় এক সাংবাদিকের পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, মুহাম্মদ জাফরান হুসাইনের নির্দেশে একদল দুর্বৃত্ত এই হামলা চালিয়েছে এমনটি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। এ সময় সাংবাদিক এ. আর. মজিদ শরীফের স্কুলপড়ুয়া কন্যা নুরনাহার (১৫) মারধরের শিকার হয়ে আহত হন। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গত ১ এপ্রিল ২০২৬ বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে মুহাম্মদ জাফরান হুসাইন (৪৯) তার সহযোগীদের নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বাড়ির চারপাশে তারকাঁটা ও বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলে। এতে পরিবারের সদস্যরা গৃহবন্দী হয়ে পড়েন।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করলে উত্তরখান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পুলিশের সহায়তায় পরিবারটি মুক্ত হয়।
এরপরও থেমে থাকেনি হামলাকারীরা। পরিবারের অভিযোগ, পরদিন ২ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পুনরায় হামলা চালানো হয়। এ সময় সৈকত (২৭) নামের এক ব্যক্তি নুরনাহারের বুকে ঘুষি ও কোমরে লাথি মেরে তাকে গুরুতর আহত করে। এছাড়া অভিযুক্তের বোন নুরনাহারের পরিহিত জামা ছিঁড়ে ফেলে বলে অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগী নুরনাহারের মা জানান, “আমার ছোট মেয়ের আগামী ৫ এপ্রিল প্রথম পরীক্ষা। কিন্তু এই ঘটনার পর সে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জাফরান হুসাইনের কাছে তাদের বড় মেয়ে ৫০ হাজার টাকা পায়। সেই টাকা ফেরত চাইলে উল্টো হয়রানি শুরু হয়। বিভিন্ন সময় দুর্বৃত্ত পাঠিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও গালিগালাজ করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
এছাড়া সাংবাদিক এ. আর. মজিদ শরীফকে হত্যার হুমকি এবং তার ১২ বছর বয়সী ছেলেকে স্কুল থেকে তুলে নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
পরিবারটি জানায়, এ বিষয়ে ইতিপূর্বে একাধিকবার উত্তরখান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তারা দাবি করেন মজিদ শরীফ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তরখান থানার ওসি হাবিবুর রহমান বলেন, “আমি বিষয়টি জানি না, তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর উত্তরখান এলাকায় এক সাংবাদিকের পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, মুহাম্মদ জাফরান হুসাইনের নির্দেশে একদল দুর্বৃত্ত এই হামলা চালিয়েছে এমনটি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। এ সময় সাংবাদিক এ. আর. মজিদ শরীফের স্কুলপড়ুয়া কন্যা নুরনাহার (১৫) মারধরের শিকার হয়ে আহত হন। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গত ১ এপ্রিল ২০২৬ বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে মুহাম্মদ জাফরান হুসাইন (৪৯) তার সহযোগীদের নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বাড়ির চারপাশে তারকাঁটা ও বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলে। এতে পরিবারের সদস্যরা গৃহবন্দী হয়ে পড়েন।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করলে উত্তরখান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পুলিশের সহায়তায় পরিবারটি মুক্ত হয়।
এরপরও থেমে থাকেনি হামলাকারীরা। পরিবারের অভিযোগ, পরদিন ২ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পুনরায় হামলা চালানো হয়। এ সময় সৈকত (২৭) নামের এক ব্যক্তি নুরনাহারের বুকে ঘুষি ও কোমরে লাথি মেরে তাকে গুরুতর আহত করে। এছাড়া অভিযুক্তের বোন নুরনাহারের পরিহিত জামা ছিঁড়ে ফেলে বলে অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগী নুরনাহারের মা জানান, “আমার ছোট মেয়ের আগামী ৫ এপ্রিল প্রথম পরীক্ষা। কিন্তু এই ঘটনার পর সে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জাফরান হুসাইনের কাছে তাদের বড় মেয়ে ৫০ হাজার টাকা পায়। সেই টাকা ফেরত চাইলে উল্টো হয়রানি শুরু হয়। বিভিন্ন সময় দুর্বৃত্ত পাঠিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও গালিগালাজ করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
এছাড়া সাংবাদিক এ. আর. মজিদ শরীফকে হত্যার হুমকি এবং তার ১২ বছর বয়সী ছেলেকে স্কুল থেকে তুলে নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
পরিবারটি জানায়, এ বিষয়ে ইতিপূর্বে একাধিকবার উত্তরখান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তারা দাবি করেন মজিদ শরীফ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তরখান থানার ওসি হাবিবুর রহমান বলেন, “আমি বিষয়টি জানি না, তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন