গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার শেখরনগর ইউনিয়নের শ্রী শ্রী মা রক্ষা কালী মন্দিরের পশ্চিম পাশে একটি মেলায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ফার্মেসি ব্যবসায়ী ইফতিয়াক (২৩) ও তার বন্ধু রাতুল (২৩)-কে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহত ইফতিয়াক শেখরনগর এলাকার ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেনের ছেলে এবং রাতুল একই এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।
এ ঘটনায় ইফতিয়াকের বাবা ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে জসিমকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ইফতিয়াক রাত সোয়া ১২টার দিকে তার ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে মন্দিরের পাশের মেলায় পৌঁছালে তার বন্ধু রাতুলের সঙ্গে আসামি জসিমের ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে জসিম ফোনে তার সহযোগীদের ডেকে আনে। পরে তারা চাপাতি, হাতুড়ি, লোহার রড, কাঠের ডাসা ও হকি স্টিক নিয়ে ইফতিয়াক ও রাতুলের ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, আবেদ আলীর নির্দেশে হামলাকারীরা ইফতিয়াককে হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে।
এ সময় হামলাকারীরা ইফতিয়াকের কাছে থাকা প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা, মোবাইল রিচার্জ কার্ড ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেখরনগর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, “এজাহারভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে জোর চেষ্টা চলছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার শেখরনগর ইউনিয়নের শ্রী শ্রী মা রক্ষা কালী মন্দিরের পশ্চিম পাশে একটি মেলায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ফার্মেসি ব্যবসায়ী ইফতিয়াক (২৩) ও তার বন্ধু রাতুল (২৩)-কে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহত ইফতিয়াক শেখরনগর এলাকার ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেনের ছেলে এবং রাতুল একই এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।
এ ঘটনায় ইফতিয়াকের বাবা ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে জসিমকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ইফতিয়াক রাত সোয়া ১২টার দিকে তার ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে মন্দিরের পাশের মেলায় পৌঁছালে তার বন্ধু রাতুলের সঙ্গে আসামি জসিমের ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে জসিম ফোনে তার সহযোগীদের ডেকে আনে। পরে তারা চাপাতি, হাতুড়ি, লোহার রড, কাঠের ডাসা ও হকি স্টিক নিয়ে ইফতিয়াক ও রাতুলের ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, আবেদ আলীর নির্দেশে হামলাকারীরা ইফতিয়াককে হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে।
এ সময় হামলাকারীরা ইফতিয়াকের কাছে থাকা প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা, মোবাইল রিচার্জ কার্ড ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেখরনগর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, “এজাহারভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে জোর চেষ্টা চলছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন