ভুক্তভোগীর দাবি, গত ২২ মার্চ মোবাইল ফোনে হায়দার আলী শেখ তাকে সরাসরি হত্যার হুমকি দেন। প্রয়োজনে ২০ লাখ টাকা খরচ করে তাকে হত্যা করে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তিনি দক্ষিণখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির এমডি হায়দার আলী শেখ গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্ল্যাট ক্রেতারা আদালতে একাধিক মামলা দায়ের করেন। এসব মামলার প্রেক্ষিতে আদালত থেকে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীদের একজন সাংবাদিক রিয়াজুল হাসান অভি জানান, তিনি ও জাপান প্রবাসী ইকরামুল হকের পক্ষে স্থানীয় গার্ডিয়ান হিসেবে দ্বিতীয় তলার দুটি ফ্ল্যাটের জন্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা পরিশোধ করেন এবং বায়নামা রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে ওই ফ্ল্যাট বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো ভবনে টানানো মালিকানার সাইনবোর্ড রাতের আঁধারে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
চুক্তির নির্ধারিত সময় পার হলেও ফ্ল্যাট বুঝে না পেয়ে তিনি আদালতে এনআই অ্যাক্টে মামলা দায়ের করেন। মামলায় পরোয়ানা জারি হওয়ার পর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে, সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনটির বেজ থেকে ৯ম তলা পর্যন্ত কেবল ছাদ ঢালাই করা হলেও কোনো ফ্লোরেই গাঁথুনির কাজ শুরু হয়নি। পলেস্তারা, রং, দরজা-জানালা, গ্রিল, স্যানিটারি ও বৈদ্যুতিক কাজও এখনো বাকি রয়েছে। এতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি সম্পন্ন হওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, একই ফ্ল্যাট একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রির নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন হায়দার আলী। বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি ১৫ লাখ, ৮০ লাখ, ৩২ লাখ, ৫০ লাখ, ২৬ লাখসহ আরও কয়েক লাখ টাকা নিয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ করতে ব্যর্থ হলে ফ্ল্যাট মালিকদের মাসিক ভাড়া পরিশোধের কথা থাকলেও সেটিও বাস্তবায়ন হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, হায়দার আলী শেখ গোপালগঞ্জের পরিচয় ব্যবহার করলেও তার প্রকৃত বাড়ি বাগেরহাট জেলার রামপালে। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন এবং বিভিন্ন মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা দ্রুত হায়দার আলী শেখকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং তাদের ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ভুক্তভোগীর দাবি, গত ২২ মার্চ মোবাইল ফোনে হায়দার আলী শেখ তাকে সরাসরি হত্যার হুমকি দেন। প্রয়োজনে ২০ লাখ টাকা খরচ করে তাকে হত্যা করে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তিনি দক্ষিণখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির এমডি হায়দার আলী শেখ গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্ল্যাট ক্রেতারা আদালতে একাধিক মামলা দায়ের করেন। এসব মামলার প্রেক্ষিতে আদালত থেকে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীদের একজন সাংবাদিক রিয়াজুল হাসান অভি জানান, তিনি ও জাপান প্রবাসী ইকরামুল হকের পক্ষে স্থানীয় গার্ডিয়ান হিসেবে দ্বিতীয় তলার দুটি ফ্ল্যাটের জন্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা পরিশোধ করেন এবং বায়নামা রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে ওই ফ্ল্যাট বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো ভবনে টানানো মালিকানার সাইনবোর্ড রাতের আঁধারে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
চুক্তির নির্ধারিত সময় পার হলেও ফ্ল্যাট বুঝে না পেয়ে তিনি আদালতে এনআই অ্যাক্টে মামলা দায়ের করেন। মামলায় পরোয়ানা জারি হওয়ার পর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে, সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনটির বেজ থেকে ৯ম তলা পর্যন্ত কেবল ছাদ ঢালাই করা হলেও কোনো ফ্লোরেই গাঁথুনির কাজ শুরু হয়নি। পলেস্তারা, রং, দরজা-জানালা, গ্রিল, স্যানিটারি ও বৈদ্যুতিক কাজও এখনো বাকি রয়েছে। এতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি সম্পন্ন হওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, একই ফ্ল্যাট একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রির নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন হায়দার আলী। বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে তিনি ১৫ লাখ, ৮০ লাখ, ৩২ লাখ, ৫০ লাখ, ২৬ লাখসহ আরও কয়েক লাখ টাকা নিয়েছেন বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ করতে ব্যর্থ হলে ফ্ল্যাট মালিকদের মাসিক ভাড়া পরিশোধের কথা থাকলেও সেটিও বাস্তবায়ন হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, হায়দার আলী শেখ গোপালগঞ্জের পরিচয় ব্যবহার করলেও তার প্রকৃত বাড়ি বাগেরহাট জেলার রামপালে। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন এবং বিভিন্ন মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা দ্রুত হায়দার আলী শেখকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং তাদের ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন