জামালপুর জেলার ইসলামপুরে নারী, জুয়া পরিচালনা ও মাদক ব্যবসায়ীদের শেল্টার দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে পুটিমারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব শাহানুর রহমান পলাশ এর বিরুদ্ধে।
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব শাহানুর রহমান পলাশের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, জুয়া পরিচালনা এবং মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে তার বিশেষ মুহূর্তের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার অভিযোগে পলাশকে দ্রুত বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে ফেসবুকের ‘সত্যের সাথে সন্ধি’ ও ‘সাভের ফোর্স ইসলামপুর’সহ বিভিন্ন পেজ ও প্রোফাইলে আপত্তিকর ভিডিওগুলো প্রকাশ করা হয়। একটি ভিডিওতে পলাশকে নগ্ন অবস্থায় এক নারীর সঙ্গে লিপ্ত থাকতে দেখা যায়। অন্য একটি ৫২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, পলাশ ওই নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ কথোপকথন করছেন এবং এক পর্যায়ে তাকে চুম্বন করছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চিনারচর গ্রামের আলহাজ্ব জয়নাল হাজীর ছেলে শাহানুর রহমান পলাশ বিবাহিত এবং তিন সন্তানের জনক হওয়া সত্ত্বেও একাধিক নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িত। স্থানীয়দের অভিযোগ, পলাশ এলাকায় জুয়ার বোর্ড পরিচালনা করেন এবং চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় দেন। বিশেষ করে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস—যিনি একাধিক মাদক মামলার আসামি—তাকে বিপুল অর্থের বিনিময়ে পদ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে পলাশের বিরুদ্ধে। কুদ্দুস মাদকের টাকায় আইড়মারি নতুন বাজারে যে মার্কেট করেছেন, সেখানেই ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয় স্থাপন করে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে শাহানুর রহমান পলাশ বলেন, "ভিডিওতে যে নারীকে দেখা যাচ্ছে তিনি আমার স্ত্রী ছিলেন। ২০২৪ সালে আমাদের ডিভোর্স হয়েছে। আমি কোনো মাদকের সাথে জড়িত নই, আর জুয়ার বোর্ড পুলিশ আগেই ভেঙে দিয়েছে। যারা ভিডিও ছড়িয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।"
ইসলামপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি তারা গুরুত্বের সাথে দেখছেন এবং রাতেই দলীয় সভায় এ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জামালপুর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজিব বলেন, "ঘটনাটি আমাদের কানে এসেছে। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করার জন্য উপজেলা নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সত্যতা প্রমাণিত হলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
জামালপুর জেলার ইসলামপুরে নারী, জুয়া পরিচালনা ও মাদক ব্যবসায়ীদের শেল্টার দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে পুটিমারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব শাহানুর রহমান পলাশ এর বিরুদ্ধে।
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব শাহানুর রহমান পলাশের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, জুয়া পরিচালনা এবং মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে তার বিশেষ মুহূর্তের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার অভিযোগে পলাশকে দ্রুত বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে ফেসবুকের ‘সত্যের সাথে সন্ধি’ ও ‘সাভের ফোর্স ইসলামপুর’সহ বিভিন্ন পেজ ও প্রোফাইলে আপত্তিকর ভিডিওগুলো প্রকাশ করা হয়। একটি ভিডিওতে পলাশকে নগ্ন অবস্থায় এক নারীর সঙ্গে লিপ্ত থাকতে দেখা যায়। অন্য একটি ৫২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, পলাশ ওই নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ কথোপকথন করছেন এবং এক পর্যায়ে তাকে চুম্বন করছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চিনারচর গ্রামের আলহাজ্ব জয়নাল হাজীর ছেলে শাহানুর রহমান পলাশ বিবাহিত এবং তিন সন্তানের জনক হওয়া সত্ত্বেও একাধিক নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িত। স্থানীয়দের অভিযোগ, পলাশ এলাকায় জুয়ার বোর্ড পরিচালনা করেন এবং চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় দেন। বিশেষ করে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস—যিনি একাধিক মাদক মামলার আসামি—তাকে বিপুল অর্থের বিনিময়ে পদ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে পলাশের বিরুদ্ধে। কুদ্দুস মাদকের টাকায় আইড়মারি নতুন বাজারে যে মার্কেট করেছেন, সেখানেই ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয় স্থাপন করে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে শাহানুর রহমান পলাশ বলেন, "ভিডিওতে যে নারীকে দেখা যাচ্ছে তিনি আমার স্ত্রী ছিলেন। ২০২৪ সালে আমাদের ডিভোর্স হয়েছে। আমি কোনো মাদকের সাথে জড়িত নই, আর জুয়ার বোর্ড পুলিশ আগেই ভেঙে দিয়েছে। যারা ভিডিও ছড়িয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।"
ইসলামপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি তারা গুরুত্বের সাথে দেখছেন এবং রাতেই দলীয় সভায় এ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জামালপুর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজিব বলেন, "ঘটনাটি আমাদের কানে এসেছে। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করার জন্য উপজেলা নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সত্যতা প্রমাণিত হলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন