মুক্তিযোদ্ধা অ্যাপার্টমেন্ট ওনার্স কো-অপারেটিভ সোসাইটির ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা বর্তমান প্রশাসক আবু মো. ইশতিয়াক আজিজের বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তাদের দাবি, দায়িত্ব গ্রহণের পর গত কয়েক মাসে সমিতির ব্যাংক হিসাব থেকে প্রায় ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হলেও এর কোনো স্বচ্ছ হিসাব দেওয়া হয়নি।
বক্তারা প্রশ্ন তোলেন, যেখানে সমিতির মাসিক ব্যয় প্রায় ২৫ হাজার টাকা, সেখানে কয়েক মাসে এত বিপুল অর্থ উত্তোলন কীভাবে সম্ভব। তারা আরও জানান, দুর্নীতির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট প্রশাসক ও তার সহযোগীকে পূর্বে সংশ্লিষ্ট সংস্থা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
সমাবেশে অভিযোগ করা হয়, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র সমিতির অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে। পূর্ববর্তী প্রশাসকদের বিরুদ্ধেও কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে।
বিজয় রাকিন সিটির সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, মোট ১৯৫০টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ৮৭০টি ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হলেও বাকি ফ্ল্যাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের যোগসাজশে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকায় অবৈধভাবে ফ্ল্যাট বিক্রির অপচেষ্টা চলছে।
আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, একটি চক্র বৈধ মালিকদের উচ্ছেদ করে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
বক্তারা বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সাধারণ বাসিন্দাদের ভোগান্তির পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। সরকারের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে একটি চক্র নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তারা।
চার দফা দাবি
সমাবেশ থেকে চার দফা দাবি ঘোষণা করা হয়:
১. বর্তমান প্রশাসক ও সংশ্লিষ্টদের অপসারণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা
২. ২০২৪ সালে নির্বাচিত বৈধ কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর
৩. বৈধ ফ্ল্যাট ও জমির মালিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
৪. অভিযুক্ত চাঁদাবাজ চক্রের গ্রেপ্তার ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন না হলে তারা মিরপুর রোড অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি দেবেন এবং প্রয়োজনে আমরণ অনশন শুরু করবেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তিযোদ্ধা অ্যাপার্টমেন্ট ওনার্স কো-অপারেটিভ সোসাইটির ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা বর্তমান প্রশাসক আবু মো. ইশতিয়াক আজিজের বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তাদের দাবি, দায়িত্ব গ্রহণের পর গত কয়েক মাসে সমিতির ব্যাংক হিসাব থেকে প্রায় ৭০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হলেও এর কোনো স্বচ্ছ হিসাব দেওয়া হয়নি।
বক্তারা প্রশ্ন তোলেন, যেখানে সমিতির মাসিক ব্যয় প্রায় ২৫ হাজার টাকা, সেখানে কয়েক মাসে এত বিপুল অর্থ উত্তোলন কীভাবে সম্ভব। তারা আরও জানান, দুর্নীতির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট প্রশাসক ও তার সহযোগীকে পূর্বে সংশ্লিষ্ট সংস্থা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
সমাবেশে অভিযোগ করা হয়, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র সমিতির অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে। পূর্ববর্তী প্রশাসকদের বিরুদ্ধেও কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে।
বিজয় রাকিন সিটির সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, মোট ১৯৫০টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ৮৭০টি ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হলেও বাকি ফ্ল্যাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের যোগসাজশে ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকায় অবৈধভাবে ফ্ল্যাট বিক্রির অপচেষ্টা চলছে।
আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, একটি চক্র বৈধ মালিকদের উচ্ছেদ করে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
বক্তারা বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সাধারণ বাসিন্দাদের ভোগান্তির পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। সরকারের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে একটি চক্র নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তারা।
চার দফা দাবি
সমাবেশ থেকে চার দফা দাবি ঘোষণা করা হয়:
১. বর্তমান প্রশাসক ও সংশ্লিষ্টদের অপসারণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা
২. ২০২৪ সালে নির্বাচিত বৈধ কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর
৩. বৈধ ফ্ল্যাট ও জমির মালিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
৪. অভিযুক্ত চাঁদাবাজ চক্রের গ্রেপ্তার ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন না হলে তারা মিরপুর রোড অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি দেবেন এবং প্রয়োজনে আমরণ অনশন শুরু করবেন।

আপনার মতামত লিখুন