নাটোরে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে চড়া দামে সার বিক্রির অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন বিসিআইসি ও বিএডিসির অনুমোদিত সার ডিলার গিয়াস উদ্দিন। কৃষক সেজে এক ব্যক্তির সাথে তাঁর কথোপকথনের অডিও ফাঁসের পর আজ মঙ্গলবার উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে ডিলার গিয়াস উদ্দিনকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাঁর বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ডিলার গিয়াস উদ্দিনের সার কারচুপির বিষয়টি সামনে আসে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বস্তা ডিএপি সারের মূল্য ১ হাজার ৫০ টাকা এবং টিএসপি সারের মূল্য ১ হাজার ৩৫০ টাকা হওয়ার কথা। তবে অভিযোগে জানা যায়, তিনি ডিএপি সার ১ হাজার ৫৫০ টাকা এবং টিএসপি সার ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করছেন।
প্রতিবেদনের সাথে কৃষক পরিচয়ধারী এক ব্যক্তির সাথে ওই ডিলারের একটি অডিও রেকর্ডও প্রকাশিত হয়। অডিওতে ডিলারকে নিজেই ডিএপি ও টিএসপি সারের চড়া দামের কথা বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, তাঁর কাছে সরকারি কোনো সার নেই, সরকার সরবরাহ দিলে তবেই সরকারি মূল্যে সার বিক্রি করা হবে।
গুরুদাসপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "প্রকাশিত অভিযোগ ও অডিওর প্রেক্ষিতে গিয়াস উদ্দিনের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। তাঁর জবাব পাওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এদিকে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তবে তাঁরা দাবি করেছেন, শুধু শোকজেই যেন বিষয়টি সীমাবদ্ধ না থাকে। তদন্ত শেষে অপরাধ প্রমাণিত হলে এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যেন দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
নাটোরে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে চড়া দামে সার বিক্রির অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন বিসিআইসি ও বিএডিসির অনুমোদিত সার ডিলার গিয়াস উদ্দিন। কৃষক সেজে এক ব্যক্তির সাথে তাঁর কথোপকথনের অডিও ফাঁসের পর আজ মঙ্গলবার উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে ডিলার গিয়াস উদ্দিনকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাঁর বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ডিলার গিয়াস উদ্দিনের সার কারচুপির বিষয়টি সামনে আসে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বস্তা ডিএপি সারের মূল্য ১ হাজার ৫০ টাকা এবং টিএসপি সারের মূল্য ১ হাজার ৩৫০ টাকা হওয়ার কথা। তবে অভিযোগে জানা যায়, তিনি ডিএপি সার ১ হাজার ৫৫০ টাকা এবং টিএসপি সার ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করছেন।
প্রতিবেদনের সাথে কৃষক পরিচয়ধারী এক ব্যক্তির সাথে ওই ডিলারের একটি অডিও রেকর্ডও প্রকাশিত হয়। অডিওতে ডিলারকে নিজেই ডিএপি ও টিএসপি সারের চড়া দামের কথা বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, তাঁর কাছে সরকারি কোনো সার নেই, সরকার সরবরাহ দিলে তবেই সরকারি মূল্যে সার বিক্রি করা হবে।
গুরুদাসপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "প্রকাশিত অভিযোগ ও অডিওর প্রেক্ষিতে গিয়াস উদ্দিনের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। তাঁর জবাব পাওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এদিকে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তবে তাঁরা দাবি করেছেন, শুধু শোকজেই যেন বিষয়টি সীমাবদ্ধ না থাকে। তদন্ত শেষে অপরাধ প্রমাণিত হলে এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যেন দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন