পবিত্র ঈদুল আজহা বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। এরই মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলো ক্রেতা ও বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে জমে উঠেছে। উপজেলার চুকনগর, শাহপুর ও খর্ণিয়াসহ প্রধান প্রধান হাটগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় চলছে গবাদিপশু বেচাকেনা।
আজ সোমবার (২৫ মে ২০২৬) ডুমুরিয়ার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা যায়, স্থানীয় খামারি ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা তাঁদের পরম যত্নে লালন-পালন করা গরু ও ছাগল হাটে নিয়ে আসছেন। তবে এবারের কোরবানির বাজারে বড় আকারের গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট সাইজের দেশি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বাজারে ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে মাঝারি ও ছোট সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। মধ্যবিত্ত ক্রেতারা এই বাজেটের মধ্যেই বেশি ঝুঁকছেন।
বাজারে ২ লক্ষ থেকে শুরু করে তদূর্ধ্ব মূল্যের বড় সাইজের গরুর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও সেই তুলনায় ক্রেতা কিছুটা সীমিত।
গরুর পাশাপাশি খাসির বাজারেও ক্রেতাদের বেশ ভিড় দেখা গেছে। ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মানের খাসি পাওয়া যাচ্ছে।
হাটে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা চড়া মনে হচ্ছে। তবে হাটে পর্যাপ্ত গবাদিপশু থাকায় তারা ঘুরেফিরে দেখেশুনে কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।
অন্যদিকে বিক্রেতা ও খামারিরা জানান, গো-খাদ্যের (ভুসি, খৈল, খড়) দাম অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার পশু লালন-পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। তাই কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি না করলে খামারিদের লোকসান গুনতে হবে। তবে বাজারে কোনো কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা নেই।
পশুর হাটগুলোতে জালিয়াতি, মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এছাড়া হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিনের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি হাটের হাসিল (খাজনা) আদায়ের বিষয়টিও কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
খামারি ও ব্যবসায়ীদের আশা, ঈদের দু-একদিন আগে বাজার আরও চাঙ্গা হবে এবং তারা সঠিক মূল্যেই তাদের পশু বিক্রি করে লাভবান হতে পারবেন।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ কোরবানির পশুর হাট, পশুর হাট ২০২৬, ডুমুরিয়া, খুলনা, পশুর বাজার, দেশি গরু, চুকনগর হাট, শাহপুর হাট, খামারি, কোরবানির ঈদ, পশুর দাম, স্থানীয় সংবাদ Qurbani Cattle Market, Dumuria Cattle Market, Khulna News, Eid-ul-Adha 2026, Cow Market Bangladesh, Local Cattle, Cattle Price, Dumuria News, Eid Bazar

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। এরই মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলো ক্রেতা ও বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে জমে উঠেছে। উপজেলার চুকনগর, শাহপুর ও খর্ণিয়াসহ প্রধান প্রধান হাটগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় চলছে গবাদিপশু বেচাকেনা।
আজ সোমবার (২৫ মে ২০২৬) ডুমুরিয়ার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা যায়, স্থানীয় খামারি ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা তাঁদের পরম যত্নে লালন-পালন করা গরু ও ছাগল হাটে নিয়ে আসছেন। তবে এবারের কোরবানির বাজারে বড় আকারের গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট সাইজের দেশি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বাজারে ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে মাঝারি ও ছোট সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। মধ্যবিত্ত ক্রেতারা এই বাজেটের মধ্যেই বেশি ঝুঁকছেন।
বাজারে ২ লক্ষ থেকে শুরু করে তদূর্ধ্ব মূল্যের বড় সাইজের গরুর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও সেই তুলনায় ক্রেতা কিছুটা সীমিত।
গরুর পাশাপাশি খাসির বাজারেও ক্রেতাদের বেশ ভিড় দেখা গেছে। ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মানের খাসি পাওয়া যাচ্ছে।
হাটে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা চড়া মনে হচ্ছে। তবে হাটে পর্যাপ্ত গবাদিপশু থাকায় তারা ঘুরেফিরে দেখেশুনে কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।
অন্যদিকে বিক্রেতা ও খামারিরা জানান, গো-খাদ্যের (ভুসি, খৈল, খড়) দাম অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার পশু লালন-পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। তাই কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি না করলে খামারিদের লোকসান গুনতে হবে। তবে বাজারে কোনো কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা নেই।
পশুর হাটগুলোতে জালিয়াতি, মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এছাড়া হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিনের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি হাটের হাসিল (খাজনা) আদায়ের বিষয়টিও কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
খামারি ও ব্যবসায়ীদের আশা, ঈদের দু-একদিন আগে বাজার আরও চাঙ্গা হবে এবং তারা সঠিক মূল্যেই তাদের পশু বিক্রি করে লাভবান হতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন