রাজধানীর মিরপুর কালশী বস্তি এলাকায় লাগা ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের ১২৩ জন ফায়ার ফাইটার কাজ করেন। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনো পুরোপুরি নির্বাপণের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সোমবার (২৫ মে) রাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমে কালশী বস্তিতে আগুন লাগার খবর আসে। ওই বস্তিতে প্রায় ১২০০টি ঘর ও ভাঙারির দোকান রয়েছে, যেখানে আনুমানিক ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার মানুষের বসবাস।
ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট রাত ৭টা ৩২ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। পরে আগুনের ভয়াবহতা বেড়ে যাওয়ায় আরও ১৪টি ইউনিট যোগ করা হয়। স্থানীয় জনগণ, স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
তবে এখনো সম্পূর্ণ নির্বাপণের কাজ শেষ হয়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পাওয়ার কারণ হিসেবে লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার বলেন, বস্তির ভেতরের রাস্তাগুলো খুবই সরু হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলোর ভেতরে প্রবেশে সমস্যা হয়। পাশাপাশি আশপাশে পানির কোনো উৎস না থাকায় ১৫টি পানিবাহী গাড়ি ব্যবহার করতে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বস্তিতে ভাঙারি, কাগজ ও প্লাস্টিকের দোকান থাকায় দাহ্য পদার্থের পরিমাণ বেশি ছিল। এছাড়া বৃষ্টির সময় প্রবল বাতাস থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা নিখোঁজের তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
এদিকে, কয়েকদিন আগে ওই বস্তিতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছিল। আগুনের ঘটনার সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
রাজধানীর মিরপুর কালশী বস্তি এলাকায় লাগা ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের ১২৩ জন ফায়ার ফাইটার কাজ করেন। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনো পুরোপুরি নির্বাপণের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সোমবার (২৫ মে) রাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমে কালশী বস্তিতে আগুন লাগার খবর আসে। ওই বস্তিতে প্রায় ১২০০টি ঘর ও ভাঙারির দোকান রয়েছে, যেখানে আনুমানিক ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার মানুষের বসবাস।
ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট রাত ৭টা ৩২ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। পরে আগুনের ভয়াবহতা বেড়ে যাওয়ায় আরও ১৪টি ইউনিট যোগ করা হয়। স্থানীয় জনগণ, স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
তবে এখনো সম্পূর্ণ নির্বাপণের কাজ শেষ হয়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পাওয়ার কারণ হিসেবে লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার বলেন, বস্তির ভেতরের রাস্তাগুলো খুবই সরু হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলোর ভেতরে প্রবেশে সমস্যা হয়। পাশাপাশি আশপাশে পানির কোনো উৎস না থাকায় ১৫টি পানিবাহী গাড়ি ব্যবহার করতে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বস্তিতে ভাঙারি, কাগজ ও প্লাস্টিকের দোকান থাকায় দাহ্য পদার্থের পরিমাণ বেশি ছিল। এছাড়া বৃষ্টির সময় প্রবল বাতাস থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা নিখোঁজের তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
এদিকে, কয়েকদিন আগে ওই বস্তিতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছিল। আগুনের ঘটনার সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন