গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় রূপকথার গল্পের মতো এক অবিশ্বাস্য উত্থান ঘটেছে শেখ তুহিন নামে এক যুবকের। এলাকায় এখন তাঁর পরিচিতি ‘আলাদীনের চেরাগের’ মালিক হিসেবে। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে মধ্যবিত্ত পরিবারের এই সন্তান এখন নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন কয়েকশত কোটি টাকার সাম্রাজ্য।
হঠাৎ করে এত বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক বনে যাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল গ্রামের কাউসার আলীর ছেলে শেখ তুহিন। কিছুদিন আগেও তিনি একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে সাদামাটা জীবনযাপন করতেন। কিন্তু গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যেন অলৌকিকভাবে বদলে যায় তাঁর ভাগ্য। ৫ আগস্টের পর থেকেই তিনি নামে-বেনামে একের পর এক বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শুরু করেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ভাড়িয়াপাড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে শেখ তুহিন একে একে গড়ে তুলেছেন—নাহার এন্টারপ্রাইজ, নাহার ফ্যাশন হাউজ, নাহার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, নাহার হাউজিং এবং নাহার রিসোর্ট। শুধু ব্যবসাই নয়, একই এলাকায় শত একর জমি কিনে তৈরি করেছেন একটি বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি।
এর পাশাপাশি তাঁর রয়েছে একটি বিশাল বাগান বাড়ি। তবে এই বাগান বাড়িটিকে ঘিরে রহস্যের জাল বোনা রয়েছে স্থানীয়দের মাঝে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, ওই বাগান বাড়ির ভেতরে আসলে কী হয়, তা বাইরের কেউ বলতে পারে না। এমনকি দিনের বেলাতেও ওই বাগান বাড়ির আশপাশ দিয়ে সাধারণ মানুষ যাতায়াত করতে ভয় পান।
স্বল্প সময়ের মধ্যে একজন সাধারণ যুবকের এমন রকেট গতির উত্থান এবং বিপুল আয়ের উৎস কোথায়—তা নিয়ে এখন পুরো গোপালগঞ্জ জুড়ে চলছে তোলপাড় ও গুঞ্জন।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শেখ তুহিনের মুঠোফোনে ও সরাসরি একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
(রহস্যময় এই বাগান বাড়ির ভেতরের কর্মকাণ্ড এবং শেখ তুহিনের আয়ের আসল উৎস কী—তা জানতে চোখ রাখুন আগামী পর্বে। বিস্তারিত আসছে...)
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ গোপালগঞ্জ সংবাদ, কাশিয়ানী উপজেলা, শেখ তুহিন, আলাদীনের চেরাগ, নাহার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, অবৈধ সম্পদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, ৫ আগস্ট পরবর্তী, রাতইল গ্রাম Gopalganj News, Kashiani Upazila, Sheikh Tuhin, Sudden Wealth, Nahar Group, Corruption Investigation, Illegal Asset, Kashiani Gopalganj, Investigative Journalism

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় রূপকথার গল্পের মতো এক অবিশ্বাস্য উত্থান ঘটেছে শেখ তুহিন নামে এক যুবকের। এলাকায় এখন তাঁর পরিচিতি ‘আলাদীনের চেরাগের’ মালিক হিসেবে। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে মধ্যবিত্ত পরিবারের এই সন্তান এখন নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন কয়েকশত কোটি টাকার সাম্রাজ্য।
হঠাৎ করে এত বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক বনে যাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল গ্রামের কাউসার আলীর ছেলে শেখ তুহিন। কিছুদিন আগেও তিনি একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে সাদামাটা জীবনযাপন করতেন। কিন্তু গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যেন অলৌকিকভাবে বদলে যায় তাঁর ভাগ্য। ৫ আগস্টের পর থেকেই তিনি নামে-বেনামে একের পর এক বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শুরু করেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ভাড়িয়াপাড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে শেখ তুহিন একে একে গড়ে তুলেছেন—নাহার এন্টারপ্রাইজ, নাহার ফ্যাশন হাউজ, নাহার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, নাহার হাউজিং এবং নাহার রিসোর্ট। শুধু ব্যবসাই নয়, একই এলাকায় শত একর জমি কিনে তৈরি করেছেন একটি বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি।
এর পাশাপাশি তাঁর রয়েছে একটি বিশাল বাগান বাড়ি। তবে এই বাগান বাড়িটিকে ঘিরে রহস্যের জাল বোনা রয়েছে স্থানীয়দের মাঝে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, ওই বাগান বাড়ির ভেতরে আসলে কী হয়, তা বাইরের কেউ বলতে পারে না। এমনকি দিনের বেলাতেও ওই বাগান বাড়ির আশপাশ দিয়ে সাধারণ মানুষ যাতায়াত করতে ভয় পান।
স্বল্প সময়ের মধ্যে একজন সাধারণ যুবকের এমন রকেট গতির উত্থান এবং বিপুল আয়ের উৎস কোথায়—তা নিয়ে এখন পুরো গোপালগঞ্জ জুড়ে চলছে তোলপাড় ও গুঞ্জন।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শেখ তুহিনের মুঠোফোনে ও সরাসরি একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
(রহস্যময় এই বাগান বাড়ির ভেতরের কর্মকাণ্ড এবং শেখ তুহিনের আয়ের আসল উৎস কী—তা জানতে চোখ রাখুন আগামী পর্বে। বিস্তারিত আসছে...)

আপনার মতামত লিখুন