কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ১৪ বছর বয়সী এক মাদরাসাশিক্ষার্থী নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার আপন সৎ নানার বিরুদ্ধে। এই অনৈতিক ও ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত নানা সাহাবুল হোসেনকে (৫৫) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।
আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল ১১টার দিকে ভেড়ামারা উপজেলার নওদাপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার (২৫ মে) রাতে ঈদের ছুটিতে ওই মাদরাসাশিক্ষার্থী ভেড়ামারা উপজেলার নওদাপাড়া এলাকায় তার নানীর বাড়িতে বেড়াতে আসে। আজ মঙ্গলবার সকালে ওই শিক্ষার্থীর নানী সরকারি চাল তোলার উদ্দেশ্যে বাইরে যান।
এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সৎ নানা সাহাবুল হোসেন পা টিপে দেওয়ার কথা বলে নাতনিকে কৌশলে তার নিজের ঘরে ডেকে নেন। এরপর জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন। পরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ঘর থেকে বের হয়ে কাঁদতে কাঁদতে প্রতিবেশীদের কাছে ঘটনাটি প্রকাশ করলে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত সাহাবুল হোসেনকে ধরে গণপিটুনি দেন এবং ভেড়ামারা থানা পুলিশকে খবর দিয়ে তাদের হাতে সোপর্দ করেন।
এ বিষয়ে ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) রাকিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,
"নাক্কারজনক এই ধর্ষণের বিষয়টির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্তকে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কঠোরভাবে চলমান রয়েছে।"
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ কুষ্টিয়া সংবাদ, ভেড়ামারা থানা, ধর্ষণের অভিযোগ, সৎ নানা গ্রেফতার, গণপিটুনি, নওদাপাড়া কুষ্টিয়া, মাদরাসাশিক্ষার্থী, ভেড়ামারা অপরাধ, কুষ্টিয়া পুলিশ Kushtia News, Bheramara Rape Case, Step Grandfather Arrested, Public Beating Kushtia, Bheramara Police Station, Kushtia Crime News, Madrasah Student, Bangladesh Crime Update

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ১৪ বছর বয়সী এক মাদরাসাশিক্ষার্থী নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার আপন সৎ নানার বিরুদ্ধে। এই অনৈতিক ও ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত নানা সাহাবুল হোসেনকে (৫৫) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।
আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল ১১টার দিকে ভেড়ামারা উপজেলার নওদাপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার (২৫ মে) রাতে ঈদের ছুটিতে ওই মাদরাসাশিক্ষার্থী ভেড়ামারা উপজেলার নওদাপাড়া এলাকায় তার নানীর বাড়িতে বেড়াতে আসে। আজ মঙ্গলবার সকালে ওই শিক্ষার্থীর নানী সরকারি চাল তোলার উদ্দেশ্যে বাইরে যান।
এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সৎ নানা সাহাবুল হোসেন পা টিপে দেওয়ার কথা বলে নাতনিকে কৌশলে তার নিজের ঘরে ডেকে নেন। এরপর জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন। পরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ঘর থেকে বের হয়ে কাঁদতে কাঁদতে প্রতিবেশীদের কাছে ঘটনাটি প্রকাশ করলে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত সাহাবুল হোসেনকে ধরে গণপিটুনি দেন এবং ভেড়ামারা থানা পুলিশকে খবর দিয়ে তাদের হাতে সোপর্দ করেন।
এ বিষয়ে ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) রাকিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,
"নাক্কারজনক এই ধর্ষণের বিষয়টির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্তকে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া কঠোরভাবে চলমান রয়েছে।"

আপনার মতামত লিখুন