সামরিক প্রযুক্তিতে বড় ধরনের মাইলফলক অর্জন করল উত্তর কোরিয়া। এই প্রথমবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পরিচালিত প্রিসিশন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে দেশটি।
বুধবার (২৭ মে) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। এআই চালিত ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ট্যাকটিক্যাল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং আর্টিলারি রকেটেরও সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
কেসিএনএ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘স্পেশাল মিশন ওয়ারহেড’ প্রকল্পের আওতায় এই আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়েছে। মূলত ক্ষেপণাস্ত্রের শক্তি এবং নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার ক্ষমতা যাচাই করতেই এই পরীক্ষা চালানো হয়।
উৎক্ষেপণ শেষে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন:
“এই পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করেছে যে, আমরা আমাদের অস্ত্র এবং স্বয়ংক্রিয় উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাগুলোকে অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ে উন্নত করতে পেরেছি। আধুনিক যুদ্ধের কৌশলের সাথে এগুলো খুব সফলভাবে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে।”
কিম জং উন জানান, নতুন এই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নির্ভুল নেভিগেশন এবং এআই-নির্দেশিত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় সজ্জিত। এগুলো সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। তিনি এই অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তবর্তী আর্টিলারি ইউনিটগুলোতে মোতায়েন করার স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন।
উত্তর কোরিয়ার এই নতুন সামরিক শক্তির প্রদর্শনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীর সাথে যোগাযোগ করে। তবে সেনাবাহিনীর কোনো মুখপাত্র এই বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। সিউলের একজন মুখপাত্র শুধু জানিয়েছেন যে, উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের বিষয়ে তারা সতর্ক ও অবগত রয়েছেন।
উলেখ্য, গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালেও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার উত্তর কোরিয়ার সামরিক ইতিহাসে এবারই প্রথম।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
সামরিক প্রযুক্তিতে বড় ধরনের মাইলফলক অর্জন করল উত্তর কোরিয়া। এই প্রথমবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পরিচালিত প্রিসিশন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে দেশটি।
বুধবার (২৭ মে) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। এআই চালিত ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ট্যাকটিক্যাল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং আর্টিলারি রকেটেরও সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
কেসিএনএ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘স্পেশাল মিশন ওয়ারহেড’ প্রকল্পের আওতায় এই আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়েছে। মূলত ক্ষেপণাস্ত্রের শক্তি এবং নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার ক্ষমতা যাচাই করতেই এই পরীক্ষা চালানো হয়।
উৎক্ষেপণ শেষে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন:
“এই পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করেছে যে, আমরা আমাদের অস্ত্র এবং স্বয়ংক্রিয় উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাগুলোকে অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ে উন্নত করতে পেরেছি। আধুনিক যুদ্ধের কৌশলের সাথে এগুলো খুব সফলভাবে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে।”
কিম জং উন জানান, নতুন এই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নির্ভুল নেভিগেশন এবং এআই-নির্দেশিত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় সজ্জিত। এগুলো সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। তিনি এই অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তবর্তী আর্টিলারি ইউনিটগুলোতে মোতায়েন করার স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন।
উত্তর কোরিয়ার এই নতুন সামরিক শক্তির প্রদর্শনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীর সাথে যোগাযোগ করে। তবে সেনাবাহিনীর কোনো মুখপাত্র এই বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। সিউলের একজন মুখপাত্র শুধু জানিয়েছেন যে, উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের বিষয়ে তারা সতর্ক ও অবগত রয়েছেন।
উলেখ্য, গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালেও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার উত্তর কোরিয়ার সামরিক ইতিহাসে এবারই প্রথম।

আপনার মতামত লিখুন