গোপালগঞ্জে এক গৃহবধূ প্রেমিককে ফোন করে ডেকে এনে স্বামীর মাধ্যমে মারপিট করে মাদ্রাসায় আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানার পালেরচর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে তরিকুল ইসলামের সঙ্গে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার বিল্লাল হোসেনের মেয়ে ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাঝিগাতী গ্রামের রশীদ ইবরাহীমের স্ত্রী ফাতেমা বেগমের বিয়ের আগ থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
ঈদের দিন সকালে ফাতেমা বেগম তার প্রেমিক তরিকুল ইসলামকে ফোন করে স্বামীর বাড়ি থেকে তাকে নিয়ে যেতে বলেন। পরে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তরিকুল ইসলাম তার বন্ধু একই এলাকার শিরাজ শেখের ছেলে শাহীন শেখ এবং যশোর জেলার মনিরামপুর থানার হাকবা গ্রামের অপু কুণ্ডুকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিকার বাড়িতে যান।
এ সময় স্বামী রশীদ ইবরাহীম স্থানীয় লোকজন নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে ভবানীপুর মাদ্রাসার একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে তাদের আটকে রাখা হয়।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে মাদ্রাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে তাদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে আসে।
প্রেমিক তরিকুল ইসলাম বলেন, “ফাতেমার সঙ্গে আমার চার বছরের সম্পর্ক। সে আমাকে ফোন করে নিয়ে যেতে বললে আমি বন্ধুদের নিয়ে সেখানে যাই। পরে তার স্বামী ও স্থানীয় লোকজন আমাদের মারধর করে মাদ্রাসায় আটকে রাখে।”
ফাতেমা বেগম বলেন, “আমি তরিকুল ইসলামকে ফোন করে আসতে বলেছি। তারা আসার পর আমার স্বামী লোকজন নিয়ে তাদের মারধর করে মাদ্রাসায় আটকে রাখে।”
‘‘গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) নয়ন চন্দ্র দেবনাথ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।”

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জে এক গৃহবধূ প্রেমিককে ফোন করে ডেকে এনে স্বামীর মাধ্যমে মারপিট করে মাদ্রাসায় আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানার পালেরচর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে তরিকুল ইসলামের সঙ্গে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার বিল্লাল হোসেনের মেয়ে ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মাঝিগাতী গ্রামের রশীদ ইবরাহীমের স্ত্রী ফাতেমা বেগমের বিয়ের আগ থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
ঈদের দিন সকালে ফাতেমা বেগম তার প্রেমিক তরিকুল ইসলামকে ফোন করে স্বামীর বাড়ি থেকে তাকে নিয়ে যেতে বলেন। পরে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তরিকুল ইসলাম তার বন্ধু একই এলাকার শিরাজ শেখের ছেলে শাহীন শেখ এবং যশোর জেলার মনিরামপুর থানার হাকবা গ্রামের অপু কুণ্ডুকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিকার বাড়িতে যান।
এ সময় স্বামী রশীদ ইবরাহীম স্থানীয় লোকজন নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে ভবানীপুর মাদ্রাসার একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে তাদের আটকে রাখা হয়।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে মাদ্রাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে তাদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে আসে।
প্রেমিক তরিকুল ইসলাম বলেন, “ফাতেমার সঙ্গে আমার চার বছরের সম্পর্ক। সে আমাকে ফোন করে নিয়ে যেতে বললে আমি বন্ধুদের নিয়ে সেখানে যাই। পরে তার স্বামী ও স্থানীয় লোকজন আমাদের মারধর করে মাদ্রাসায় আটকে রাখে।”
ফাতেমা বেগম বলেন, “আমি তরিকুল ইসলামকে ফোন করে আসতে বলেছি। তারা আসার পর আমার স্বামী লোকজন নিয়ে তাদের মারধর করে মাদ্রাসায় আটকে রাখে।”
‘‘গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) নয়ন চন্দ্র দেবনাথ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।”

আপনার মতামত লিখুন