ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানিকৃত পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করেছে মুকসুদপুর পৌরসভা। ঈদের দিন সকাল থেকেই পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে মাঠে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. আশিক কবির।
শনিবার সকাল ১১টা থেকে তিনি পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকি করেন। এ সময় সড়ক, অলিগলি, বাজার এলাকা এবং জনসমাগমস্থলের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়।পরিদর্শনকালে দেখা যায়, পৌর এলাকার অধিকাংশ স্থান থেকেই কোরবানিকৃত পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করা হয়েছে। কোথাও রাস্তার পাশে বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায়নি, ফলে নাগরিকদের স্বাভাবিক চলাচলে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি হয়নি। তবে কয়েকটি স্থানে পশুর রক্তের দাগ চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাধ্যমে সেগুলো পরিষ্কার করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগের ফলে ঈদ-পরবর্তী সময়ে পরিবেশ দূষণ, দুর্গন্ধ এবং জনস্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত বর্জ্য অপসারণের মাধ্যমে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনার সক্ষমতাও প্রতিফলিত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. আশিক কবির বলেন, “নাগরিকদের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের জন্য পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং পৌরবাসীর সহযোগিতার কারণে স্বল্প সময়ের মধ্যেই বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও জনস্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।”
সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদ-পরবর্তী সময়েও পৌর এলাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে প্রশাসনের নজরদারি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানিকৃত পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করেছে মুকসুদপুর পৌরসভা। ঈদের দিন সকাল থেকেই পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে মাঠে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. আশিক কবির।
শনিবার সকাল ১১টা থেকে তিনি পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকি করেন। এ সময় সড়ক, অলিগলি, বাজার এলাকা এবং জনসমাগমস্থলের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়।পরিদর্শনকালে দেখা যায়, পৌর এলাকার অধিকাংশ স্থান থেকেই কোরবানিকৃত পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করা হয়েছে। কোথাও রাস্তার পাশে বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায়নি, ফলে নাগরিকদের স্বাভাবিক চলাচলে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি হয়নি। তবে কয়েকটি স্থানে পশুর রক্তের দাগ চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাধ্যমে সেগুলো পরিষ্কার করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগের ফলে ঈদ-পরবর্তী সময়ে পরিবেশ দূষণ, দুর্গন্ধ এবং জনস্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত বর্জ্য অপসারণের মাধ্যমে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনার সক্ষমতাও প্রতিফলিত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. আশিক কবির বলেন, “নাগরিকদের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের জন্য পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং পৌরবাসীর সহযোগিতার কারণে স্বল্প সময়ের মধ্যেই বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও জনস্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।”
সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদ-পরবর্তী সময়েও পৌর এলাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে প্রশাসনের নজরদারি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন