মিয়ানমারের শান প্রদেশের নামখাম জেলার কাউং তাত গ্রামে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ।
ধ্বংস্তূপের নিচে অনেকে চাপা পড়ে থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিস্ফোরণের তীব্রতায় কাউং তাত গ্রামের প্রায় ২০০টি এবং পার্শ্ববর্তী পান লোন গ্রামের অন্তত ১০০টি বাড়িঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।
চীন, লাওস ও থাইল্যান্ডের সীমান্ত সংলগ্ন কৌশলগত শান প্রদেশে গত রোববার স্থানীয় সময় রাত ১২টার দিকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। নিহতদের মধ্যে ৩ জন চীনা নাগরিক রয়েছেন। বাকিদের মধ্যে ৬ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং একজন এক বছর বয়সী শিশু রয়েছে।
শান প্রদেশটি বর্তমানে মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী তা’আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ)-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর সেনাবাহিনীকে হটিয়ে এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয় টিএনএলএ। এই অঞ্চলে অবস্থিত দেশের মূল্যবান জেড পাথরের খনিগুলোও এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে।
বিস্ফোরণের পর প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল যে এটি মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর কোনো বিমান হামলা হতে পারে। তবে পরে এক বিবৃতিতে টিএনএলএ স্পষ্ট করে যে, কাউং তাত গ্রামের একটি গুদামে খনির কাজে ব্যবহারের জন্য জেলিগনাইট বিস্ফোরক মজুত ছিল। সেই জেলিগনাইট ‘দুর্ঘটনাবশত’ ফেটে যাওয়ায় এই বড় বিপর্যয় ঘটেছে।
টিএনএলএ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার সকাল থেকে উপদ্রুত এলাকায় ব্যাপক উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। কাউং তাত এবং পান লোন গ্রাম থেকে এ পর্যন্ত ৭৪ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘরবাড়ির ধ্বংস্তূপ সরানোর কাজ চলায় হতাহতের তালিকা আরও দীর্ঘ হতে পারে।
এদিকে, গুদামে রাখা জেলিগনাইটের বিস্ফোরণ ঠিক কীভাবে ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে টিএনএলএ-এর উদ্যোগে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২০২১ সালে ক্ষমতা দখলের পর মিয়ানমারের জান্তা সরকার যেসব সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রতিরোধ ও ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, টিএনএলএ তার মধ্যে অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী একটি দল। (সূত্র: বিবিসি)

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
মিয়ানমারের শান প্রদেশের নামখাম জেলার কাউং তাত গ্রামে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ।
ধ্বংস্তূপের নিচে অনেকে চাপা পড়ে থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিস্ফোরণের তীব্রতায় কাউং তাত গ্রামের প্রায় ২০০টি এবং পার্শ্ববর্তী পান লোন গ্রামের অন্তত ১০০টি বাড়িঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।
চীন, লাওস ও থাইল্যান্ডের সীমান্ত সংলগ্ন কৌশলগত শান প্রদেশে গত রোববার স্থানীয় সময় রাত ১২টার দিকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। নিহতদের মধ্যে ৩ জন চীনা নাগরিক রয়েছেন। বাকিদের মধ্যে ৬ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং একজন এক বছর বয়সী শিশু রয়েছে।
শান প্রদেশটি বর্তমানে মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী তা’আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ)-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর সেনাবাহিনীকে হটিয়ে এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয় টিএনএলএ। এই অঞ্চলে অবস্থিত দেশের মূল্যবান জেড পাথরের খনিগুলোও এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে।
বিস্ফোরণের পর প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল যে এটি মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর কোনো বিমান হামলা হতে পারে। তবে পরে এক বিবৃতিতে টিএনএলএ স্পষ্ট করে যে, কাউং তাত গ্রামের একটি গুদামে খনির কাজে ব্যবহারের জন্য জেলিগনাইট বিস্ফোরক মজুত ছিল। সেই জেলিগনাইট ‘দুর্ঘটনাবশত’ ফেটে যাওয়ায় এই বড় বিপর্যয় ঘটেছে।
টিএনএলএ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার সকাল থেকে উপদ্রুত এলাকায় ব্যাপক উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। কাউং তাত এবং পান লোন গ্রাম থেকে এ পর্যন্ত ৭৪ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘরবাড়ির ধ্বংস্তূপ সরানোর কাজ চলায় হতাহতের তালিকা আরও দীর্ঘ হতে পারে।
এদিকে, গুদামে রাখা জেলিগনাইটের বিস্ফোরণ ঠিক কীভাবে ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে টিএনএলএ-এর উদ্যোগে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২০২১ সালে ক্ষমতা দখলের পর মিয়ানমারের জান্তা সরকার যেসব সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রতিরোধ ও ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, টিএনএলএ তার মধ্যে অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী একটি দল। (সূত্র: বিবিসি)

আপনার মতামত লিখুন