আসন্ন ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার গোলপোস্টের নিচে লিওনেল স্কালোনির প্রথম পছন্দ নিঃসন্দেহে এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজ। তবে হাতের ইনজুরির কারণে বর্তমানে পুনর্বাসনে রয়েছেন এই বিশ্বকাপ জয়ী গোলকিপার।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে আলবিসেলেস্তেদের প্রথম ম্যাচেই তাকে পাওয়ার আশা করছে কোচিং স্টাফরা। তবে কোনো কারণে দিবু পুরোপুরি ফিট হতে না পারলে, কে সামলাবেন আর্জেন্টিনার গোলপোস্ট? রুলি নাকি মুসো?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আসন্ন বিশ্বকাপের আগে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দুটিতে দুই ব্যাকআপ গোলকিপার জেরোনিমো রুলি ও হুয়ান মুসোকে কড়া পর্যবেক্ষণে রাখবে আর্জেন্টিনার টিম ম্যানেজমেন্ট।
অতীতের রেকর্ড ও আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতার বিচারে হুয়ান মুসোর চেয়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন অলিম্পিক মার্শেইয়ের ৩৪ বছর বয়সী গোলকিপার জেরোনিমো রুলি।
আর্জেন্টিনার সিনিয়র জাতীয় দলের হয়ে রুলি এ পর্যন্ত ৭টি অফিশিয়াল ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে কোনো ম্যাচেই হারেনি আর্জেন্টিনা। ৭ ম্যাচে তিনি গোল হজম করেছেন মাত্র ২টি।
২০২৪ সালের নভেম্বরের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে পেরুর বিপক্ষে তিনি সর্বশেষ আর্জেন্টিনার গোলপোস্ট সামলান, যেখানে দল ১-০ ব্যবধানে জয় পায়।
রুলি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন স্কোয়াডের অংশ ছিলেন। এছাড়া ২০২২ ফিনালিসিমা এবং ২০২৪ কোপা আমেরিকা জয়ী দলেরও সঙ্গী ছিলেন তিনি।
সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে মার্শেইয়ের হয়ে ৩৯টি ম্যাচ খেলেছেন এবং লিগ ওয়ানে তার দল পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে।
রেকর্ডে রুলি এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক ক্লাব ফর্মে তাকে তীব্র চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছেন অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের গোলকিপার হুয়ান মুসো।
অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের প্রধান গোলকিপার জ্যান ওবলাকের ইনজুরির সুবাদে স্প্যানিশ ক্লাবটির গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ানোর সুযোগ পান সাবেক রেসিংয়ের এই গোলকিপার। সেখানে দারুণ পারফর্ম করে দলকে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে তুলতে বড় অবদান রাখেন। এই বছর ক্লাবের হয়ে ১২টি ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি।
দেশের হয়ে মুসো ৩টি অফিশিয়াল ম্যাচ খেলেছেন। ২০১৯ সালে মরক্কোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ২৩ মিনিট এবং ২০২১ সালে বলিভিয়ার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। চলতি বছর জাম্বিয়ার বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে জয়ের প্রীতি ম্যাচটিতেও ১৬ মিনিট পোস্ট সামলান তিনি।
কাগজে-কলমে রুলির অভিজ্ঞতা স্কালোনিকে স্বস্তি দিলেও মুসোর বর্তমান ফর্ম বিষয়টিকে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে। আগামী ৬ ও ৯ জুন যথাক্রমে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে এই দুজনকে পরখ করে দেখা হবে। তবে আলবিসেলেস্তে সমর্থকদের বড় স্বস্তি—দিবু মার্টিনেজকে শুরু থেকেই পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি, আর কোনো জরুরি পরিস্থিতির জন্য তার যোগ্য ব্যাকআপও প্রস্তুত রাখছে আর্জেন্টিনা।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ আর্জেন্টিনা ফুটবল দল, লিওনেল স্কালোনি, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, জেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো, ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬, আর্জেন্টিনা গোলকিপার, আলবিসেলেস্তে, প্রীতি ম্যাচ ২০২৬, Argentina Football Team, Lionel Scaloni, Emiliano Martinez, Geronimo Rulli, Juan Musso, Football World Cup 2026, Argentina Goalkeeper, Albiceleste, Friendly Match 2026

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
আসন্ন ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার গোলপোস্টের নিচে লিওনেল স্কালোনির প্রথম পছন্দ নিঃসন্দেহে এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজ। তবে হাতের ইনজুরির কারণে বর্তমানে পুনর্বাসনে রয়েছেন এই বিশ্বকাপ জয়ী গোলকিপার।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে আলবিসেলেস্তেদের প্রথম ম্যাচেই তাকে পাওয়ার আশা করছে কোচিং স্টাফরা। তবে কোনো কারণে দিবু পুরোপুরি ফিট হতে না পারলে, কে সামলাবেন আর্জেন্টিনার গোলপোস্ট? রুলি নাকি মুসো?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আসন্ন বিশ্বকাপের আগে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দুটিতে দুই ব্যাকআপ গোলকিপার জেরোনিমো রুলি ও হুয়ান মুসোকে কড়া পর্যবেক্ষণে রাখবে আর্জেন্টিনার টিম ম্যানেজমেন্ট।
অতীতের রেকর্ড ও আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতার বিচারে হুয়ান মুসোর চেয়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন অলিম্পিক মার্শেইয়ের ৩৪ বছর বয়সী গোলকিপার জেরোনিমো রুলি।
আর্জেন্টিনার সিনিয়র জাতীয় দলের হয়ে রুলি এ পর্যন্ত ৭টি অফিশিয়াল ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে কোনো ম্যাচেই হারেনি আর্জেন্টিনা। ৭ ম্যাচে তিনি গোল হজম করেছেন মাত্র ২টি।
২০২৪ সালের নভেম্বরের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে পেরুর বিপক্ষে তিনি সর্বশেষ আর্জেন্টিনার গোলপোস্ট সামলান, যেখানে দল ১-০ ব্যবধানে জয় পায়।
রুলি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন স্কোয়াডের অংশ ছিলেন। এছাড়া ২০২২ ফিনালিসিমা এবং ২০২৪ কোপা আমেরিকা জয়ী দলেরও সঙ্গী ছিলেন তিনি।
সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে মার্শেইয়ের হয়ে ৩৯টি ম্যাচ খেলেছেন এবং লিগ ওয়ানে তার দল পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে।
রেকর্ডে রুলি এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক ক্লাব ফর্মে তাকে তীব্র চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছেন অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের গোলকিপার হুয়ান মুসো।
অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের প্রধান গোলকিপার জ্যান ওবলাকের ইনজুরির সুবাদে স্প্যানিশ ক্লাবটির গোলপোস্টের নিচে দাঁড়ানোর সুযোগ পান সাবেক রেসিংয়ের এই গোলকিপার। সেখানে দারুণ পারফর্ম করে দলকে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে তুলতে বড় অবদান রাখেন। এই বছর ক্লাবের হয়ে ১২টি ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি।
দেশের হয়ে মুসো ৩টি অফিশিয়াল ম্যাচ খেলেছেন। ২০১৯ সালে মরক্কোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ২৩ মিনিট এবং ২০২১ সালে বলিভিয়ার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। চলতি বছর জাম্বিয়ার বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে জয়ের প্রীতি ম্যাচটিতেও ১৬ মিনিট পোস্ট সামলান তিনি।
কাগজে-কলমে রুলির অভিজ্ঞতা স্কালোনিকে স্বস্তি দিলেও মুসোর বর্তমান ফর্ম বিষয়টিকে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে। আগামী ৬ ও ৯ জুন যথাক্রমে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে এই দুজনকে পরখ করে দেখা হবে। তবে আলবিসেলেস্তে সমর্থকদের বড় স্বস্তি—দিবু মার্টিনেজকে শুরু থেকেই পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি, আর কোনো জরুরি পরিস্থিতির জন্য তার যোগ্য ব্যাকআপও প্রস্তুত রাখছে আর্জেন্টিনা।

আপনার মতামত লিখুন