গোপালগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সীমার মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি এবং তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৪টার দিকে শহরের মডেল স্কুল গেটসংলগ্ন এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. ফয়জুল বারী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫-এর ৫(১)(ছ) ধারায় তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই আইনের ৬(১)(খ) ধারা অনুযায়ী কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
আইন অমান্যের দায়ে কওমি স্টোরের স্বত্বাধিকারী সোহাগ মোল্লা (২৫) এবং মেসার্স অহিদুজ্জামান স্টোরের মালিক এস্কেন্দার আলী মোল্লা (৪৫)-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেককে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়, যা মোট ৩ হাজার টাকা।
অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে তামাকপণ্য বিক্রি না করা এবং কোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।
এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. ফয়জুল বারী বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং তামাকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সীমার মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি এবং তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৪টার দিকে শহরের মডেল স্কুল গেটসংলগ্ন এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. ফয়জুল বারী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫-এর ৫(১)(ছ) ধারায় তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই আইনের ৬(১)(খ) ধারা অনুযায়ী কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
আইন অমান্যের দায়ে কওমি স্টোরের স্বত্বাধিকারী সোহাগ মোল্লা (২৫) এবং মেসার্স অহিদুজ্জামান স্টোরের মালিক এস্কেন্দার আলী মোল্লা (৪৫)-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেককে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়, যা মোট ৩ হাজার টাকা।
অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে তামাকপণ্য বিক্রি না করা এবং কোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।
এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. ফয়জুল বারী বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং তামাকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন