নজর বিডি

শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু
এ কে এম শামীম ওসমান

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) এ কে এম শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে। সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এই বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।

আজ বুধবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে প্রসিকিউশন প্রথমে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করবে। এরপরই শুরু হবে সাক্ষীদের জবানবন্দি ও সাক্ষ্যগ্রহণ।

এই মামলার এজাহারনামীয় সব আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। শামীম ওসমান ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন— শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু, ডিবিসি টেলিভিশনের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ এবং সোহানুর রহমান শুভ্র।

আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই ট্রাইব্যুনালে বিচারকাজ চলছে। তবে নিয়মানুযায়ী তাদের পক্ষে আইনি লড়াই লড়তে সরকারি খরচে স্টেট ডিফেন্স (রাষ্ট্রীয় পক্ষ) আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ১৩ মে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের (চার্জ গঠন) মাধ্যমে এই ১২ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। একইসঙ্গে সূচনা বক্তব্যসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের (১০ জুন) দিন ধার্য করা হয়েছিল।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চাষাঢ়া, ফতুল্লা থানাধীন সাইনবোর্ডসহ আশপাশের এলাকায় নির্বিচারে গুলি চালিয়ে কিশোর আদিল, ইয়াছিন, শিক্ষার্থী পারভেজ, পোশাককর্মী রাসেল এবং ছয় বছরের শিশু রিয়াসহ মোট ছয়জনকে হত্যা করা হয়।

২১ জুলাই ফতুল্লা থানাধীন ভূইগড় বাসস্ট্যান্ডের সামনে আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ রাকিবকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন বদিউজ্জামান ও আবুল হাসানকে হত্যার কথা উল্লেখ করে প্রসিকিউশন।

চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দাখিলকৃত ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ শামীম ওসমান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, নারায়ণগঞ্জ হত্যাকাণ্ড, বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার, আদালত সংবাদ, জাতীয় সংবাদ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬

featured Image

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) এ কে এম শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে। সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এই বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।

আজ বুধবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে প্রসিকিউশন প্রথমে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করবে। এরপরই শুরু হবে সাক্ষীদের জবানবন্দি ও সাক্ষ্যগ্রহণ।

এই মামলার এজাহারনামীয় সব আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। শামীম ওসমান ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন— শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু, ডিবিসি টেলিভিশনের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ এবং সোহানুর রহমান শুভ্র।

আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের অনুপস্থিতিতেই ট্রাইব্যুনালে বিচারকাজ চলছে। তবে নিয়মানুযায়ী তাদের পক্ষে আইনি লড়াই লড়তে সরকারি খরচে স্টেট ডিফেন্স (রাষ্ট্রীয় পক্ষ) আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ১৩ মে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের (চার্জ গঠন) মাধ্যমে এই ১২ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। একইসঙ্গে সূচনা বক্তব্যসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের (১০ জুন) দিন ধার্য করা হয়েছিল।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চাষাঢ়া, ফতুল্লা থানাধীন সাইনবোর্ডসহ আশপাশের এলাকায় নির্বিচারে গুলি চালিয়ে কিশোর আদিল, ইয়াছিন, শিক্ষার্থী পারভেজ, পোশাককর্মী রাসেল এবং ছয় বছরের শিশু রিয়াসহ মোট ছয়জনকে হত্যা করা হয়।

২১ জুলাই ফতুল্লা থানাধীন ভূইগড় বাসস্ট্যান্ডের সামনে আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ রাকিবকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন বদিউজ্জামান ও আবুল হাসানকে হত্যার কথা উল্লেখ করে প্রসিকিউশন।

চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দাখিলকৃত ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত