ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে আগামী জুলাই মাসে সমাহিত করা হবে। আজ শনিবার (১৩ জুন) দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ৩ ও ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে তার বিদায়ী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৫ জুলাই তেহরানে প্রথম জানাজা এবং ৬ জুলাই কোমে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে ৯ জুলাই মাশহাদে আরেকটি জানাজা শেষে ওইদিনই তাকে ইমাম রেজা মাজারে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
উল্লেখ্য, শিয়া মুসলিমদের ১২ জন প্রসিদ্ধ ইমামের অন্যতম হলেন ইমাম রেজা, যিনি হযরত আলী (রা.) ও মা ফাতেমা (রা.)-এর বংশধর।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ বিমান হামলা চালায়। ওইদিন সকালে সুপ্রিম লিডারের বাসভবনে অবস্থান করছিলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি। সেই যৌথ হামলায় স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ তিনি প্রাণ হারান।
ওই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন খামেনির দ্বিতীয় ছেলে এবং বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি। তবে ভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান।
আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল তার দ্বিতীয় ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে নিযুক্ত করে। মোজতবার সঙ্গে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) অত্যন্ত সুসম্পর্ক রয়েছে। তাকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচনের ক্ষেত্রে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বড় ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছিল বলে জানা গেছে।
সূত্র: আলজাজিরা

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে আগামী জুলাই মাসে সমাহিত করা হবে। আজ শনিবার (১৩ জুন) দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ৩ ও ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে তার বিদায়ী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৫ জুলাই তেহরানে প্রথম জানাজা এবং ৬ জুলাই কোমে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে ৯ জুলাই মাশহাদে আরেকটি জানাজা শেষে ওইদিনই তাকে ইমাম রেজা মাজারে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
উল্লেখ্য, শিয়া মুসলিমদের ১২ জন প্রসিদ্ধ ইমামের অন্যতম হলেন ইমাম রেজা, যিনি হযরত আলী (রা.) ও মা ফাতেমা (রা.)-এর বংশধর।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ বিমান হামলা চালায়। ওইদিন সকালে সুপ্রিম লিডারের বাসভবনে অবস্থান করছিলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি। সেই যৌথ হামলায় স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ তিনি প্রাণ হারান।
ওই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন খামেনির দ্বিতীয় ছেলে এবং বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি। তবে ভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান।
আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল তার দ্বিতীয় ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে নিযুক্ত করে। মোজতবার সঙ্গে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) অত্যন্ত সুসম্পর্ক রয়েছে। তাকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচনের ক্ষেত্রে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বড় ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছিল বলে জানা গেছে।
সূত্র: আলজাজিরা

আপনার মতামত লিখুন