কালিয়া উপজেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বাগান কেন্দ্রেরের আয়োজনে আজ শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। কালিয়া পৌরসভার বাস¯ট্যান্ড এলাকায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স. ম. ওহিদুজ্জামান মিলু, বন বিভাগের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব কমাতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। একটি টেকসই ও সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসাধারণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষাই নয়, দেশের বনজ সম্পদ বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”
কর্মসূচির আওতায় কালিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বিভিন্ন প্রজাতির মোট ৪১টি করে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
কালিয়া উপজেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বাগান কেন্দ্রেরের আয়োজনে আজ শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। কালিয়া পৌরসভার বাস¯ট্যান্ড এলাকায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স. ম. ওহিদুজ্জামান মিলু, বন বিভাগের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব কমাতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। একটি টেকসই ও সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসাধারণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষাই নয়, দেশের বনজ সম্পদ বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”
কর্মসূচির আওতায় কালিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বিভিন্ন প্রজাতির মোট ৪১টি করে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন