মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে দারুণ পারফর্ম করেছে মরক্কো। প্রথমার্ধ শেষে খেলাটি ১-১ গোলে সমতায় থাকলেও, মাঠের পারফরম্যান্সে আফ্রিকার প্রতিনিধিরাই ছিল বেশি গোছানো ও সুশৃঙ্খল। অন্যদিকে, চেনা ছন্দের অভাবে মাঠে ছন্নছাড়া লেগেছে ফেভারিট ব্রাজিলকে।
খেলার শুরু থেকেই ব্রাজিলের ওপর চাপ সৃষ্টি করে মরক্কো। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই বাম প্রান্ত থেকে আক্রমণ শানিয়ে সেলেসাওদের রক্ষণভাগ কাঁপিয়ে দেন মরক্কোর তরুণ মিডফিল্ডার বেনজামিন এল আইনুই। তার হাই-প্রেসিং ফুটবলের সামনে ব্রাজিলের মাঝমাঠের দুই তারকা কাসেমিরো ও লুকাস পাকেতা রীতিমতো খেই হারিয়ে ফেলেন। পুরো প্রথমার্ধে মরক্কোর মাঝমাঠের আসল ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করেছেন এই তরুণ।
উইংয়ে আশরাফ হাকিমির গতিময় ফুটবল ব্রাজিলের লেফট-ব্যাক দগলাস সান্তোসকে পুরো প্রথমার্ধ জুড়ে তটস্থ করে রাখে। চমৎকার ওয়ান-টাচ ফুটবলে ব্রাজিলের ডি-বক্সে বারবার ফাটল ধরায় মরক্কোর ফরোয়ার্ডরা। এরই ধারাবাহিকতায় নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল আদায় করে নেয় তারা।
এর আগে ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে নিশ্চিত গোলের মুখ থেকে শরীর দিয়ে বল ব্লক করে ব্রাজিলকে রক্ষা করেছিলেন ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস। তবে মরক্কোর করা গোলটির পেছনে ব্রাজিলের রক্ষণভাগের বড় দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। ডিফেন্ডার মার্কিনিওস এবং আইবানেজের পজিশনিংয়ের ভুলে গোল হজম করতে হয় লাতিন আমেরিকার দলটিকে।
নেইমারের অনুপস্থিতিতে ব্রাজিলের মাঝমাঠের ক্রিয়েটিভিটির অভাব ছিল স্পষ্ট। কাসেমিরো ও পাকেতা আক্রমণভাগে বলের জোগান দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হওয়ায় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র নিজের সেরাটা মেলে ধরতে পারছিলেন না। তবে এর মধ্যেও ভিনিসিয়ুসের করা গোলটি ছিল দেখার মতো।
এদিকে আক্রমণে ব্রাজিলের নতুন বাজি ইগর থিয়াগো প্রথমার্ধে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন। সিক্স-ইয়ার্ড বক্সের মাথা থেকে তার নেওয়া দুর্বল হেডারটি মিস না হলে দল আরও আগেই সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে পারত। এই বড় মিসটির কারণে প্রথমার্ধে তার পুরো পারফরম্যান্সই ম্লান হয়ে যায়।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ ব্রাজিল বনাম মরক্কো, মেটলাইফ স্টেডিয়াম, প্রথমার্ধ, ফুটবল ম্যাচ, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, বেনজামিন এল আইনুই, আশরাফ হাকিমি, কাসেমিরো, ফুটবল সংবাদ Brazil vs Morocco, MetLife Stadium, First Half, Football Match, Vinicius Junior, Benjamin El Khannouss, Achraf Hakimi, Casemiro, Football News

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে দারুণ পারফর্ম করেছে মরক্কো। প্রথমার্ধ শেষে খেলাটি ১-১ গোলে সমতায় থাকলেও, মাঠের পারফরম্যান্সে আফ্রিকার প্রতিনিধিরাই ছিল বেশি গোছানো ও সুশৃঙ্খল। অন্যদিকে, চেনা ছন্দের অভাবে মাঠে ছন্নছাড়া লেগেছে ফেভারিট ব্রাজিলকে।
খেলার শুরু থেকেই ব্রাজিলের ওপর চাপ সৃষ্টি করে মরক্কো। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই বাম প্রান্ত থেকে আক্রমণ শানিয়ে সেলেসাওদের রক্ষণভাগ কাঁপিয়ে দেন মরক্কোর তরুণ মিডফিল্ডার বেনজামিন এল আইনুই। তার হাই-প্রেসিং ফুটবলের সামনে ব্রাজিলের মাঝমাঠের দুই তারকা কাসেমিরো ও লুকাস পাকেতা রীতিমতো খেই হারিয়ে ফেলেন। পুরো প্রথমার্ধে মরক্কোর মাঝমাঠের আসল ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করেছেন এই তরুণ।
উইংয়ে আশরাফ হাকিমির গতিময় ফুটবল ব্রাজিলের লেফট-ব্যাক দগলাস সান্তোসকে পুরো প্রথমার্ধ জুড়ে তটস্থ করে রাখে। চমৎকার ওয়ান-টাচ ফুটবলে ব্রাজিলের ডি-বক্সে বারবার ফাটল ধরায় মরক্কোর ফরোয়ার্ডরা। এরই ধারাবাহিকতায় নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল আদায় করে নেয় তারা।
এর আগে ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে নিশ্চিত গোলের মুখ থেকে শরীর দিয়ে বল ব্লক করে ব্রাজিলকে রক্ষা করেছিলেন ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস। তবে মরক্কোর করা গোলটির পেছনে ব্রাজিলের রক্ষণভাগের বড় দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। ডিফেন্ডার মার্কিনিওস এবং আইবানেজের পজিশনিংয়ের ভুলে গোল হজম করতে হয় লাতিন আমেরিকার দলটিকে।
নেইমারের অনুপস্থিতিতে ব্রাজিলের মাঝমাঠের ক্রিয়েটিভিটির অভাব ছিল স্পষ্ট। কাসেমিরো ও পাকেতা আক্রমণভাগে বলের জোগান দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হওয়ায় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র নিজের সেরাটা মেলে ধরতে পারছিলেন না। তবে এর মধ্যেও ভিনিসিয়ুসের করা গোলটি ছিল দেখার মতো।
এদিকে আক্রমণে ব্রাজিলের নতুন বাজি ইগর থিয়াগো প্রথমার্ধে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন। সিক্স-ইয়ার্ড বক্সের মাথা থেকে তার নেওয়া দুর্বল হেডারটি মিস না হলে দল আরও আগেই সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে পারত। এই বড় মিসটির কারণে প্রথমার্ধে তার পুরো পারফরম্যান্সই ম্লান হয়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন