ক্ষমতাসীন দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, আন্ডারওয়ার্ল্ডের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই ও আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সংঘর্ষে দেশজুড়ে খুন, টার্গেট কিলিং ও বন্দুক হামলার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে সারা দেশে ৯১৫টি হত্যাকাণ্ডের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে; যার অর্থ গড়ে প্রতিদিন ১০টিরও বেশি খুনের ঘটনা ঘটছে। দেশজুড়ে এমন পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খেলাফত মজলিস।
আজ ১৮ জুন ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) এক বিবৃতিতে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকের এই উদ্বেগ ও দাবির কথা জানানো হয়। এর আগে গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমীর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় এই সাপ্তাহিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিস্তার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দুর্বলতা এবং বিগত কয়েক বছরে শীর্ষ অপরাধীদের মুক্তি ও দেশে ফিরে আসাই বর্তমান সহিংসতা বাড়ার মূল কারণ। অবিলম্বে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। একই সাথে একটি স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের মাধ্যমে পুলিশের জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁর মন্ত্রণালয়ের প্রতি আরও বেশি মনোনিবেশ করার আহ্বান জানানো হয়।
খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দেশে বর্তমানে খুন-সহিংসতার পাশাপাশি ধর্ষণ, মাদক, অশ্লীলতা, কিশোর গ্যাং, চুরি ও ছিনতাই প্রভৃতি অপরাধের মাত্রাও আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ওপর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে এবং লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ব্যাপক বেড়েছে।
সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত চলছে উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, এই দমবন্ধ পরিস্থিতি থেকে দেশের সাধারণ মানুষ দ্রুত মুক্তি চায়।
উক্ত সাপ্তাহিক নির্বাহী বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, অধ্যাপক আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শায়খুল ইসলাম, খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, হাজী নুর হোসেন ও আবুল হোসেন প্রমুখ।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ খেলাফত মজলিস, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দৈনিক ১০ খুন, পুলিশ সদর দপ্তর, স্বাধীন পুলিশ কমিশন, ড. আহমদ আবদুল কাদের, আহমদ আলী কাসেমী, অপরাধ সংবাদ, রাজনৈতিক খবর বাংলাদেশ, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি Khelafat Majlis, Law and Order Situation, Daily 10 Murders, Police Headquarters Bangladesh, Independent Police Commission, Dr Ahmad Abdul Quader, Crime News Bangladesh, Political News Dhaka

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
ক্ষমতাসীন দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, আন্ডারওয়ার্ল্ডের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই ও আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সংঘর্ষে দেশজুড়ে খুন, টার্গেট কিলিং ও বন্দুক হামলার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে সারা দেশে ৯১৫টি হত্যাকাণ্ডের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে; যার অর্থ গড়ে প্রতিদিন ১০টিরও বেশি খুনের ঘটনা ঘটছে। দেশজুড়ে এমন পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খেলাফত মজলিস।
আজ ১৮ জুন ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) এক বিবৃতিতে দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকের এই উদ্বেগ ও দাবির কথা জানানো হয়। এর আগে গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমীর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় এই সাপ্তাহিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিস্তার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দুর্বলতা এবং বিগত কয়েক বছরে শীর্ষ অপরাধীদের মুক্তি ও দেশে ফিরে আসাই বর্তমান সহিংসতা বাড়ার মূল কারণ। অবিলম্বে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। একই সাথে একটি স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের মাধ্যমে পুলিশের জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁর মন্ত্রণালয়ের প্রতি আরও বেশি মনোনিবেশ করার আহ্বান জানানো হয়।
খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দেশে বর্তমানে খুন-সহিংসতার পাশাপাশি ধর্ষণ, মাদক, অশ্লীলতা, কিশোর গ্যাং, চুরি ও ছিনতাই প্রভৃতি অপরাধের মাত্রাও আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ওপর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে এবং লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ব্যাপক বেড়েছে।
সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত চলছে উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, এই দমবন্ধ পরিস্থিতি থেকে দেশের সাধারণ মানুষ দ্রুত মুক্তি চায়।
উক্ত সাপ্তাহিক নির্বাহী বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, অধ্যাপক আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শায়খুল ইসলাম, খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, হাজী নুর হোসেন ও আবুল হোসেন প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন