অত্যন্ত সুকৌশলে ও পরিকল্পিতভাবে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম)।
তিনি মন্তব্য করেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি বিশেষ মহল বা চক্রান্তকারী গোষ্ঠী তাদের জোটকে রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণী পর্যায় ও ক্ষমতার অংশীদারত্ব থেকে দূরে রাখতে সূক্ষ্ম কৌশল অবলম্বন করেছে।
কর্নেল অলি আহমদ বলেন, দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন, স্বৈরাচার বিরোধী সংগ্রাম এবং জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে ১১ দলীয় জোটের দলগুলো রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। অথচ ক্ষমতার ভাগাভাগি বা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে এই জোটকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই ধরনের বঞ্চনা ও সুকৌশলী মাইনাস ফর্মুলা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য শুভ নয়। একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণ করতে হলে সব অংশীজন এবং রাজপথের ত্যাগী দলগুলোকে তাদের প্রাপ্য মর্যাদা ও মূল্যায়ন করতে হবে।
জোটের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কোনো চক্রান্ত বা কৌশলই জনগণকে তাদের অধিকার থেকে বেশিদিন বঞ্চিত রাখতে পারবে না। ক্ষমতার বাইরে রাখা হলেও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে ১১ দলীয় জোট রাজপথে তাদের সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
অত্যন্ত সুকৌশলে ও পরিকল্পিতভাবে ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতার বাইরে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম)।
তিনি মন্তব্য করেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি বিশেষ মহল বা চক্রান্তকারী গোষ্ঠী তাদের জোটকে রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণী পর্যায় ও ক্ষমতার অংশীদারত্ব থেকে দূরে রাখতে সূক্ষ্ম কৌশল অবলম্বন করেছে।
কর্নেল অলি আহমদ বলেন, দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন, স্বৈরাচার বিরোধী সংগ্রাম এবং জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে ১১ দলীয় জোটের দলগুলো রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। অথচ ক্ষমতার ভাগাভাগি বা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে এই জোটকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই ধরনের বঞ্চনা ও সুকৌশলী মাইনাস ফর্মুলা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য শুভ নয়। একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণ করতে হলে সব অংশীজন এবং রাজপথের ত্যাগী দলগুলোকে তাদের প্রাপ্য মর্যাদা ও মূল্যায়ন করতে হবে।
জোটের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কোনো চক্রান্ত বা কৌশলই জনগণকে তাদের অধিকার থেকে বেশিদিন বঞ্চিত রাখতে পারবে না। ক্ষমতার বাইরে রাখা হলেও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে ১১ দলীয় জোট রাজপথে তাদের সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন