আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘রান অ্যাগেইনস্ট ড্রাগস’ বা মাদকবিরোধী দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শুরু হয়।
৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রানিং রুটটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে টিএসসি, শাহবাগ, কাঁটাবন, নীলক্ষেত, ভিসি চত্বর এবং ফুলার রোড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শিবিরের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও তরুণ অংশ নেন।
উদ্বোধনী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি, যা সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দেশে বর্তমানে ৮৩ লাখ মাদকসেবী রয়েছে এবং মাদকের কারণে প্রতিবছর প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ অকালে প্রাণ হারাচ্ছে। মাদকের এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের ছত্রছায়ায় এর বিস্তার ঘটছে।” তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের কাছে যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখার ‘এক্সপেরিমেন্টাল ট্রুথ ফর্মুলা’ রয়েছে বলে দাবি করেন এবং সব ছাত্র সংগঠনকে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কামাল হোসেন বলেন, “তরুণ সমাজকে রক্ষায় সরকারকে আরও কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাদক সিন্ডিকেট ভাঙতে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।”
ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত রাষ্ট্রকে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের তাগিদ দিয়ে বলেন, “মাদক নির্মূলে ব্যর্থ হলে আগামী দিনে ছাত্রশিবির ‘ফাইট অ্যাগেইনস্ট ড্রাগ’ বা মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ডাক দিতে বাধ্য হবে।”
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার মাধ্যমে মাদকের বিস্তার রোধ সম্ভব।” এছাড়াও অনুষ্ঠানে শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ মাদকমুক্ত ও সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলতে এই ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।
সমাবেশে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, ঢাকাস্থ বিভিন্ন শাখার নেতৃবৃন্দসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘রান অ্যাগেইনস্ট ড্রাগস’ বা মাদকবিরোধী দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শুরু হয়।
৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রানিং রুটটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে টিএসসি, শাহবাগ, কাঁটাবন, নীলক্ষেত, ভিসি চত্বর এবং ফুলার রোড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শিবিরের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও তরুণ অংশ নেন।
উদ্বোধনী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি, যা সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দেশে বর্তমানে ৮৩ লাখ মাদকসেবী রয়েছে এবং মাদকের কারণে প্রতিবছর প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ অকালে প্রাণ হারাচ্ছে। মাদকের এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের ছত্রছায়ায় এর বিস্তার ঘটছে।” তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের কাছে যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখার ‘এক্সপেরিমেন্টাল ট্রুথ ফর্মুলা’ রয়েছে বলে দাবি করেন এবং সব ছাত্র সংগঠনকে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কামাল হোসেন বলেন, “তরুণ সমাজকে রক্ষায় সরকারকে আরও কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাদক সিন্ডিকেট ভাঙতে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।”
ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত রাষ্ট্রকে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের তাগিদ দিয়ে বলেন, “মাদক নির্মূলে ব্যর্থ হলে আগামী দিনে ছাত্রশিবির ‘ফাইট অ্যাগেইনস্ট ড্রাগ’ বা মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ডাক দিতে বাধ্য হবে।”
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার মাধ্যমে মাদকের বিস্তার রোধ সম্ভব।” এছাড়াও অনুষ্ঠানে শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ মাদকমুক্ত ও সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলতে এই ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।
সমাবেশে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, ঢাকাস্থ বিভিন্ন শাখার নেতৃবৃন্দসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন